ঝিনাইদহে আবারো সার কেলেঙ্কারি : ডিলারদের ক্ষোভ
তিন মাস পার না হতেই আবারো ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ বাফার সার গোডাউনে আসা ৩৩ ট্রাকে ২৯৭ মেট্রিক টন সার কম পাওয়া গেছে। এ নিয়ে সার ডিলারদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
বিষয়টি জানাজানি হলে বাফার কর্তৃপক্ষ ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল করিম, বাংলাদেশ ফারটিলাইজার অ্যাসোসিয়েশন ঝিনাইদহ শাখার সভাপতি ও সার ডিলার আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর হোসেন ও বাফার গোডউন ইনচার্জের উপস্থিতিতে কয়েক বাস্তা মেপে সার কম রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে।
এর আগে গত ২২ জুলাই ১৬টি ট্রাকে ৩শ মেট্রিক টন ইউরিয়ার প্রতি বস্তায় ৩ থেকে ৪ কেজি করে কম সার পাওয়া যায়। পরে সেই বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সার প্রেরণকারী প্রতিষ্ঠান নবাব অ্যান্ড কোং প্রতি বস্তায় ৫০ কেজি করে সার রিব্যাগিং করে বাফার কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দেয়। এবার ৫ হাজার ৯৪০টি বস্তার প্রতিটিতে ১/২ কেজি করে সার কম আছে।
বাংলাদেশ ফারটিলাইজার অ্যাসোসিয়েশন ঝিনাইদহ শাখার সভাপতি ও সার ডিলার আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর জানান, সৌদি আরব থেকে সারগুলো সরাসরি বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) ঢাকার সাউথ ডেল্টা শিপিং অ্যান্ড ট্রেডিং লি. এর মাধ্যমে আমদানি করে।
আমরা কর্তৃপক্ষকে বলেছি প্রতি বস্তায় ৫০ কেজি সার বুঝিয়ে দিলে আমরা এগুলো গ্রহণ করবো। তিনি অভিযোগ করেন, এর আগে এ গোডাউন থেকে ডিলারদের মাঝে ওজনে কম, নিম্নমানের ও মেয়াদ উত্তীর্ণ ইউরিয়া সার সরবরাহ করা হয়।
কালীগঞ্জ বাফার সার গোডাউনের ডিপো ইনচার্জ মাসুদ রানা জানান, আমি অভিযোগ পাওয়ার পরই সারগুলো ট্রাক থেকে আনলোড বন্ধ করে দিয়েছে। তিনি স্বীকার করে বলেন, প্রতি বস্তায় ২/১ কেজি সার কম পাওয়া গেছে।
বাফার গোডাউন সূত্রে জানা গেছে, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলায় এ গোডাউন থেকে ২১৫ জন তালিকাভুক্ত ডিলারের মাঝে সার সরবরাহ করা হয়।
আহমেদ নাসিম আনসারী/এসএস/এবিএস