‘প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে আমার জীবনের রিস্ক বেশি’


প্রকাশিত: ০২:০০ পিএম, ০৮ ডিসেম্বর ২০১৬

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী বলেছেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নিয়ে আমি ভাবি না। বিএনপি প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেন এবং অন্যান্য প্রার্থীর চেয়ে আমার জীবনের রিস্ক বেশি।

তিনি বলেন, আমার জীবনের নিরাপত্তার জন্যই বলবো যাতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকে। নারায়ণগঞ্জে বহিরাগত কারও কাছে অবৈধ অস্ত্র- এ ধরনের কোনো কিছু যাতে না থাকে, সেদিকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।  

বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে মেয়র প্রার্থীদের নিয়ে আয়োজিত নির্বাচন কমিশনের মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী।

আইভী বলেন, কোনো জায়গায় অপরিচিত কাউকে দেখলে যেন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়। এছাড়া সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সবাইকে কাজ করতে হবে।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু হলে আওয়ামী লীগ-বিএনপিসহ সাত মেয়র প্রার্থী নির্বাচনের ফল মেনে নেয়ার অঙ্গীকার করেন। একই সঙ্গে সাত মেয়র প্রার্থী একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দাবি করেছেন।

এদিকে বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করলেও তিনি আবারও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুলে সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন।  

বিএনপির মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, সারাদেশের মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু এ নির্বাচন। নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়নি। নির্বাচন কমিশনারের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হওয়ায় অনেকে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেয়ার জন্য। এমন যেন না হয় ভোটাররা ভোট দেয়ার আগেই ভোট কাস্ট হয়ে গেছে।

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান ইসমাইল বলেন, যার ভোট সে কি দিতে পারবেন? নাকি তার ভোট অন্য কেউ দিয়ে দেবে? ব্যালট বাক্স নিরাপদে রাখার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনারের এবং সেজন্য প্রশাসন এবং নির্বাচন কমিশনারকে নিরপেক্ষ থাকতে হবে।

এলডিপির বহিষ্কৃত মেয়র প্রার্থী কামাল প্রধান বলেন, সেনা বাহিনীর প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না। তবে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলিতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করলে ভালো হয়। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে সবার কাছে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে।

ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের প্রার্থী মুফতি মাসুম বিল্লাহ বলেন, ভোটাররা যাতে ক্ষোভ প্রকাশ না করে যে আমি আমার পছন্দসই প্রার্থীকে ভোট দিতে পারিনি। এমন যেন না হয়। ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন। সেজন্য নির্বাচন কশিনারের সচেষ্ট থাকতে হবে।

মতবিনিময় সভায় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রাব্বি মিয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. জাবেদ আলী।
 

মো. শাহাদাত হোসেন/এএম



 

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।