গিনেজ বুকে নাম লেখাতে চায় সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন


প্রকাশিত: ০৩:৫৭ পিএম, ০৮ ডিসেম্বর ২০১৬

‘বাল্যবিয়েকে না বলুন, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ করুন’ এই স্লোগানে এক সঙ্গে লাখো কণ্ঠে বাল্যবিবাহকে লালকার্ড দেখানোর উদ্যোগ নিয়েছে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন।

অতীতের সকল রেকর্ডকে পেছনে ফেলে সারা পৃথিবীতে এই প্রথম সুনামগঞ্জে লাখো কণ্ঠে লালকার্ড প্রদর্শনের বিষয়টিকে গিনেজ বুকে অন্তর্ভুক্তির জন্যও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। এ লক্ষে গিনেজ বুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক (যুগ্ম-সচিব) শেখ রফিকুল ইসলামের নির্দেশে ব্যতিক্রমী এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে এক লাখ লালকার্ড পৌঁছে গেছে জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।

বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৮টায় জেলা প্রশাসক (যুগ্ম-সচিব) শেখ রফিকুল ইসলাম জাগো নিউজের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, পুরো জেলাকে বাল্যবিবাহ মুক্ত করতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা শেষে দ্রুত কর্মসূচিটি সফল করা হবে। জেলা শহরের ঐতিহ্যবাহী সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে (বালুর মাঠ) অথবা স্থানীয় শহীদ আবুল হোসেন মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠান হতে পারে। অনুষ্ঠানের দিন জেলা শহরের ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হবে।

জানা গেছে, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সফিউল আলম উপস্থিত থাকবেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মো. জামাল উদ্দিন আহমদ।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, লাল কার্ড প্রদর্শন অনুষ্ঠান এক সঙ্গে জেলার সকল মাধ্যমিক, নিম্ন মাধ্যমিক, স্কুল-কলেজ ও মাদরাসায় অনুষ্ঠিত হবে। লালকার্ডে ‘বাল্যবিবাহকে না বলুন ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধ করুন সংম্বলিত স্লোগান লেখা রয়েছে। এছাড়া শিশু ও কিশোরী বাল্যবিয়ে কিংবা নির্যাতনের শিকার হলে প্রতিরোধ-সহায়তার জন্য স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সরকারি মোবাইল নম্বর উল্লেখ রয়েছে।

উল্লেখ্য, জেলা প্রশাসক শেখ রফিকুল ইসলাম ১১টি উপজেলাকে ইতিপূর্বে আনুষ্ঠানিকভাবে বাল্যবিবাহ মুক্ত ঘোষণা করেছেন।

রাজু আহমেদ রমজান/এআরএ/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।