শেরপুরে ১৫ কেন্দ্রের সবকটি ঝুঁকিপূর্ণ : ডিসি


প্রকাশিত: ০১:৪৪ পিএম, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৬

শেরপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় ১৫টি ভোট কেন্দ্রের সবকটিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানালেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও রিটার্নিং অফিসার ডা. এ এম পারভেজ রহিম।

শনিবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ মতবিনিময় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অন্যান্যের মধ্যে পুলিশ সুপার মো. রফিকুল হাসান গণি,  স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক ফরিদ আহম্মেদ, অতিরিক্তি পুলিশ সুপার মো. সালাউদ্দিন শিকদার, জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান বক্তব্য রাখেন।

এতে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাডভোকেট চন্দন কুমার পাল ও হুমায়ুন কবির রুমানসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় জেলা প্রশাসক ডা. এ এম পারভেজ রহিম বলেন, বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলার ১৫টি ভোট কেন্দ্রের সবকটিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ২৮ ডিসেম্বর নির্বাচনের দিন জেলায় তিন স্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট ও স্ট্রাইকিং ফোর্স সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা বিধানে নিয়োজিত থাকবে। ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বাররা কেউ কোন প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট হতে পারবে না। ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ও কলম নিয়ে ঢোকা যাবে না। ব্যালেট পেপারে কোনো প্রকার দাগ-চিহ্ন থাকলে অথবা ছেঁড়া-কাটা থাকলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে।

সভায় পুলিশ সুপার মো. রফিকুল হাসান গণি বলেন, নির্বাচনী আইন মানা ভোটারসহ প্রার্থীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। কেউ আইন না মানলে আমাদের লোকজন কর্তব্য পালন করলে তারা অসম্মানিত হবেন। তাই, আশা করি সবাই এ দিকে নজর দেবেন। সভায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা তাদের বক্তব্যে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের লক্ষে নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দেন।

হাকিম বাবুল/এএম/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।