সিসি ক্যামেরার আওতায় ইজতেমা ময়দান


প্রকাশিত: ০৯:৪৫ এএম, ১২ জানুয়ারি ২০১৭

বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে। বৃহস্পতিবার থেকে ইজতেমার চারপাশে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এবারই প্রথম বিশ্ব ইজতেমার চারপাশ সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ইজতেমাস্থলের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে টঙ্গীর টেলিফোন শিল্প সংস্থা (টেশিস) মাঠে পুলিশের এক ব্রিফিংয়ে গাজীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ এসব কথা জানান।

পুলিশ সুপার আরও জানান, ইজতেমা মাঠের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য র্যা ব-পুলিশসহ এবার ১২ হাজারের মতো নিরাপত্তাকর্মী কাজ করবেন। টঙ্গী ব্রিজ থেকে জয়দেবপুর চৌরাস্তা, মন্নু গেট থেকে কামারপাড়া পর্যন্ত এবং তুরাগ নদসহ পুরো এলাকাকে পাঁচটি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি সেক্টরে আইন-শৃঙ্খলা  বাহিনীর সদস্যরা কঠোর নজরদারির মাধ্যমে কাজ করবেন।

তিনি বলেন, এবারের বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বে ছয় হাজারের অধিক ফোর্স থাকবে। থাকবে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ইজতেমা মাঠের ভেতরে সাদা পোশাকে পর্যাপ্ত পুলিশ দিয়েছি। খিত্তায় খিত্তায় পুলিশের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।

পুলিশ সুপার বলেন, ইজতেমা উপলক্ষে মোড়ে-মোড়ে, গলিতে-গলিতে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। ইজতেমার প্রবেশ পথগুলোতে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। ইজতেমাকে ঘিরে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে মুসল্লিরা আসছেন। আমাদের কাজ তাদের সার্বিক নিরাপত্তা বিধান করা।

হারুন অর রশিদ  বলেন, বিদেশি খিত্তায় তিনটি আর্চওয়ে স্থাপন করা হয়েছে। গত বছরের চেয়ে বেশি ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে। সেখান থেকে পুলিশ পর্যবেক্ষণ করছে।

এ ছাড়া একটি অত্যাধুনিক কন্টোল রুম ও পাঁচটি সাব কন্টোল রুম করা হয়েছে। পুরো ইজতেমা এলাকাকে পাঁচটি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি সেক্টরে একজন করে অ্যাডিশনাল এসপিকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের উদ্দেশে পুলিশ সুপার বলেন, তারা কোনো সমস্যায় পড়লে যেন পুলিশের শরণাপন্ন হন।

মো. আমিনুল ইসলাম/আরএআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।