কুড়িগ্রামে সূর্যের দেখা মিললেও কনকনে ঠান্ডা


প্রকাশিত: ০৯:১৫ এএম, ১৩ জানুয়ারি ২০১৭

কুড়িগ্রামে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কারণে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। হিমেল হাওয়া আর কনকনে ঠান্ডায় কাবু হয়ে পড়েছে নদ-নদী তীরবর্তী এলাকার কয়েক লাখ মানুষ।

শুক্রবার সূর্যের মুখ দেখা গেলেও ভোর ও সন্ধ্যায় বাড়ছে কুয়াশা। ঘন কুয়াশার কারণে ব্যাহত হচ্ছে যান চলাচলও। এতে অনেক জায়গায় ঘটছে দুর্ঘটনা। ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের আবহাওয়া পর্যবেক্ষক এ এইচ এম মোফাখারুল ইসলাম জানান, শুক্রবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৫ এবং সর্বোচ্চ ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সকালে ও রাতে তাপমাত্রা হ্রাস পাবে। এমনাবস্থা আরো ৪৮ ঘণ্টা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিপাকে পড়েছে শিশু, বৃদ্ধসহ বিভিন্ন শ্রেণির শ্রমজীবী মানুষ। প্রচণ্ড ঠান্ডায় কৃষক ও দিনমজুররা কাজে যেতে পারছেন না। শীতবস্ত্রের অভাবে হত-দরিদ্ররা খড়খুটো জ্বালিয়ে ঠান্ডা নিবারণের চেষ্টা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, জেলার ৯ উপজেলায় ৫৩ হাজার ১৮৫টি কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শাহিনুর রহমান সরদার জানান, প্রতিদিন শত-শত রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার জন্য আসছে। এরমধ্যে শিশু ও বৃদ্ধ রোগীর সংখ্যাই বেশি। জনবল সঙ্কট নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সাধ্যমত চিকিৎসাসেবা দিচ্ছে। ওষুধ সল্পতা নেই। জেলার প্রত্যন্ত এলাকাগুলো স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে ৮৫টি মেডিকেল টিম কাজ করছে।

নাজমুল হোসাইন/এফএ/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।