স্কুলছাত্রীকে হত্যার দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড


প্রকাশিত: ০৬:৫৯ এএম, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার মহিপুরে স্কুলছাত্রী কনিকা রানী ঘোষকে (১৪) কুপিয়ে হত্যার দায়ে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

এছাড়া অপর তিন স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগে ৩২৪ ধারায় তিন বছরের কারাদণ্ড, ৩২৬ ধারায় ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৩ মাসের কারাদণ্ড এবং ৩০৭ ধারায় ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৩ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ শিশু আদালতের বিচারক এবং অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ জিয়াউর রহমান আসামির উপস্থিতিতে বুধবার এ রায় প্রদান করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল মালেক (২৮) চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার দিয়াড় ধাইনগর গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৭ মে শুক্রবার সকালে ধাইনগর গ্রামের লক্ষণ ঘোষের মেয়ে কনিকা রানীসহ চার ছাত্রী প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফেরার পথে মহিপুর এলাকায় আব্দুল মালেক তাদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে  তাদের আহত করে।

স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কনিকা রানী ঘোষকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওই দিনই স্থানীয়রা আব্দুল মালেককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

এ ঘটনায় নিহত কনিকা রানীর মা অঞ্জলি রানী বাদী হয়ে ওই দিন রাত ১০টার দিকে আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

সদর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মাহমুদুর রশিদ ২০১৬ সালের ৭ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দায়ের করেন। আদালত ২১ জন স্বাক্ষির স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এ রায় ঘোষণা করেন।

নিহত কনিকার মা অঞ্জলি রানীসহ ওইদিন আহত অপর তিন ছাত্রী তারিন আফরোজ, তানজিমা আক্তার ও মরিয়ম আক্তার এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা দ্রুত এ রায় কার্যকর করার আহ্বান জানান।

আব্দুল­াহ/এফএ/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।