চট্টগ্রাম বন্দরে গাড়ি আমদানি কমেছে, বেড়েছে মংলায়


প্রকাশিত: ১০:৩৩ এএম, ০১ এপ্রিল ২০১৫
ফাইল ছবি

দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর চট্টগ্রাম দিয়ে গাড়ি আমদানি কমেছে। গত তিন মাসের তথ্য পর্যালোচনায় এ তথ্য পাওয়া গেছে। আমদানিকারকরা বলছেন, ট্যারিফ চার্জ চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ে মংলায় কম হওয়ায় ব্যবসায়ীরা গাড়ি খালাসে মংলায় বেশি ঝুঁকছে।

জানা যায়, চট্টগ্রাম বন্দরে যেখানে গাড়ি প্রতি ট্যারিফ গুণতে হয় চারশত ৫২ টাকা সেখানে মংলায় গুণতে হয় এর অর্ধেক।

বুধবার চট্টগ্রাম বন্দরের পরিবহন শাখা থেকে প্রাপ্ত পরিসংখ্যানে দেখা যায়, জানুযারিতে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরে তিনটি বিশেষায়িত গাড়িবাহী জাহাজ এসেছে। ওই সময় গাড়ি আমদানি হয়েছে ১৫২৫টি। ফেব্রুয়ারিতে পাঁচটি জাহাজে গাড়ি এসেছে ১৭০৫টি এবং মার্চে তিনটি জাহাজে গাড়ি আমদানি হয়েছে ১২৭৪টি। সে হিসেবে গত তিন মাসে ৪৫০৪টি গাড়ি আমদানি হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের পরিচালক (পরিবহন) গোলাম ছরওয়ার জানান, তিন মাসে গাড়ি খালাস হয়েছে ৩৯০৪টি। তিনি বলেন, ২০১৪ এর জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত আমদানিকৃত গাড়ির মধ্যে ২৬৫৭টি গাড়ি এখনো খালাস করেনি ব্যবসায়ীরা।

বাংলাদেশ রিকন্ডিশন ভেহিক্যালস ইমপোর্টাস অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন (বারভিডা) সূত্রে জানা যায়, মংলায় খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে ৪৭৯৭টি গাড়ি। গত তিন মাসে মংলা বন্দর দিয়ে গাড়ি আমদানি হয়েছে প্রায় ছয় হাজার।   

বারভিডা’র সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল হক চৌধুরীর জানান, গত তিন মাসে রাজনৈতিক অস্থিরতা, মহাসড়কে গাড়ি পোড়ানো এবং সর্বোপুরি গাড়ির ক্রেতা কমে যাওয়ায় হ্রাস পেয়েছে গাড়ি খালাস প্রক্রিয়া।

তিনি জানান, মংলার চেয়ে ট্যারিফ চট্টগ্রাম বন্দরে প্রায় দ্বিগুণ। এ কারণে ব্যবসায়ীরা বাড়তি সুবিধার জন্য মংলার দিকে বেশি ঝুঁকছে।

এমএএস/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।