ফেনীতে ইজতেমার প্রস্তুতি সম্পন্ন
ফেনী শহরের অদূরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে দেবীপুরে ৫শ একর জমির উপর তাবলিগ জামাতের ইজতেমা আয়োজনে প্রস্তুতি শেষ হয়েছে।
ইজতেমায় আসা লক্ষাধিক মুসল্লির জন্য বিশালাকৃতির প্যান্ডেল নির্মাণ শেষ হয়েছে মঙ্গলবারই। আজ বুধবার থেকে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা ইজতেমার উদ্দেশে আসতে শুরু করবেন।
ইজতেমায় দেশের বরেণ্য আলেম-ওলামা ও তাবলিগের মুরব্বিরা মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে ধর্মীয়, ব্যক্তিগত, পারিবারিক, ইহকাল ও পরকালের বিষয়ে বয়ান করবেন।
ইজতেমায় আসা মুসল্লিদের জন্য খাবার পানি, টয়লেট ও অজুর পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে। বিশেষ করে ইজতেমা ময়দানের বিপরীত দিকে মহাসড়কের পাশের লেকে গোসলের সুব্যবস্থা রয়েছে। ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের জন্য তৈরিকৃত ১১টি খিত্তায় একজন আমিরের নেতৃত্বে মুসল্লিরা থাকবেন।
খিত্তায় প্রবেশের জন্য মাঠের চারদিক থেকে প্রবেশপথ রয়েছে। বয়ান মঞ্চের নিকটে প্রবেশপথের বাম পাশে রয়েছে মুরুব্বিদের কক্ষ, পরামর্শ কক্ষ ও বিদেশি মেহমানদের থাকার ব্যবস্থা। ১নং খিত্তায় অবস্থান করবেন সদর উপজেলার শর্শদী, ধর্মপুর, বালিগাঁও ও ফাজিলপুর ইউনিয়নের মুসল্লিরা।
এছাড়া ২নং খিত্তায় থাকবেন পাঁচগাছিয়া, লেমুয়া, কাজিরবাগ ও ফরহাদনগর ইউনিয়নের লোকজন। ৩নং খিত্তায় থাকবেন সোনাগাজী সদর, মঙ্গলকান্দি, আমিরাবাদ, মতিগঞ্জ ও নবাবপুর ইউনিয়নের লোকজন। ৪নং খিত্তায় থাকবেন চরমজলিশপুর, বগাদানা, চরদরবেশ ও চরছান্দিয়া ইউনিয়নের লোকজন।
৫নং খিত্তায় থাকবেন দাগনভূঞা সদর, মাতুভুঞা, রামনগর ও জায়লস্কর ইউনিয়নের লোকজন। ৬নং খিত্তায় সিন্দুরপুর, রাজাপুর, ইয়াকুবপুর, ৭নং খিত্তায় রাধানগর, পাঠাননগর ও ঘোপাল, ৮নং খিত্তায় সদর উপজেলার কালিদহ, মোটবী ও ছনুয়া, ৯নং খিত্তায় ছাগলনাইয়া, শুভপুর, মহামায়া, পূর্ব চন্দ্রপুর, ১০নং খিত্তায় মুন্সিরহাট, দরবারপুর ও আনন্দপুর এবং ১১নং খিত্তায় পরশুরাম, মির্জানগর, চিথলিয়া, বক্সমাহমুদ, ফুলগাজী, আমজাদহাট ইউনিয়নের মুসল্লিরা থাকবেন।
জহিরুল হক মিলু/এফএ/এমএস