কৃষির সঙ্গে মিশে আছে বাংলার গৌরবময় ইতিহাস


প্রকাশিত: ০১:০১ পিএম, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭
ফাইল ছবি

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। কৃষি আমাদের অর্থনীতির প্রাণ। আমাদের আবহমান বাংলার গৌরবময় ইতিহাস ও ঐতিহ্য মিশে আছে কৃষির সঙ্গে। মূলত বাঙালি জাতির শেকড় নিহিত রয়েছে কৃষির মধ্যে। প্রাচীনকাল থেকে অর্থনীতিতে কৃষি ও কৃষকের অবদান অসামান্য। দেশের জনগণের দৈনন্দিন খাদ্য চাহিদা ও আমিষের চাহিদা পূরণ, কর্মসংস্থানসহ রফতানি বাণিজ্যে কৃষিখাতের অবদান উল্লেখযোগ্য।

বৃহস্পতিবার বিকেলে গাজীপুরের সালনার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির ভাষণে এসব কথা বলেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে মানবতার পরিপূর্ণ বিকাশ এবং দেশ ও জনগণের কল্যাণসাধন। মননশীল, অসাম্প্রদায়িক, দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে মানুষের প্রাথমিক চাহিদাগুলোর মধ্যে শিক্ষা অন্যতম। উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্য হলো- বিশ্বমানের জ্ঞান সঞ্চারণ, নতুন জ্ঞানের উদ্ভাবন এবং সুদক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা, যারা দেশ, সমাজ ও সভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে আগামীর পথে।

সমাবর্তন ভাষণ দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর আব্দুল মান্নান। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. মাহবুবর রহমান। স্বাগত ভাষণ দেন এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. ইসমাইল হোসেন মিঞা।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাড. আ ক ম মোজাম্মেল হক, সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেল, সংসদ সদস্য ও কৃষিবিদ বাহাউদ্দিন নাছিম, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এসএম আলম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড. আজমত উল্লাহ খান, সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম, সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র আসাদুর রহমান কিরণ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে ক্রেস্ট প্রদান করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. মাহবুবর রহমান। সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রিপ্রাপ্ত এক হাজার ১১৩ জনকে সনদ প্রদান করা হয়।  

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজীবন লালিত স্বপ্ন ছিল একটি অসাম্প্রদায়িক, ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত সমৃদ্ধ সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা। তিনি বুঝেছিলেন, কৃষির উন্নয়ন ছাড়া এদেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই কৃষি শিক্ষায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করার জন্য তিনি ১৯৭৩ সালে কৃষি গ্র্যাজুয়েটদের সরকারি চাকরিতে প্রথম শ্রেণির মর্যাদা দিয়েছিলেন। এর সুফল দেশবাসী পেয়েছেন।

আমিনুল ইসলাম/এআরএ/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।