মেহেরপুরে জামাইয়ের ছুরিকাঘাতে আহত একজনের মৃত্যু


প্রকাশিত: ০৩:৩৮ এএম, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

মেহেরপুর গাংনী উপজেলার গাড়াডোব গ্রামে জামাইয়ের ছুরিকাঘাতে শ্বশুরবাড়ির আহত চারজনের মধ্যে জাহানারা খাতুন (৩২) নামে একজন মারা গেছেন। শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থার তার মৃত্যু হয়।
 
নিহত জাহানারা খাতুন গাড়াডোবা গ্রামের জলিবিলপাড়ার মৃত মহাম্মদ আলীর মেয়ে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পারিবারিক কলহের জের ধরে জাহানারার ছোট বোনের স্বামী সদর উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের আশাদুল ইসলামের হামলায় চারজন আহত হন। এ ঘটনায় আসাদুলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

একজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে গাংনী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, মরদেহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে বাড়িতে নিয়ে যাবেন স্বজনরা।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ৮ বছর আগে শ্যামপুর গ্রামের সায়েত আলীর ছেলে আশাদুলের সঙ্গে গাড়াডোব জলিবিলপাড়ার মৃত মহাম্মদ আলীর মেয়ে বানুয়ারা বেগমের বিয়ে হয়। দাম্পত্য কলহের জেরে পাঁচ বছর বয়সী শিশুপুত্র মাসুদকে সঙ্গে নিয়ে বছর দুয়েক আগে বাবার বাড়িতে ফিরে যান বানু। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সেখানে যায় আশাদুল। দাম্পত্য কলহের জের ধরে ছুরি দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে বানুর ছোট বোন পারভিনা খাতুন (২৪), বড় ভাই ইছহাক আলী (৩৮), ভাবী ফরিদা খাতুন (৩৩) এবং বড় বোন জাহানারা খাতুনকে (৩২) জখম করে। স্থানীয়রা আশাদুলকে আটক করে আহত চারজনকে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতেল ভর্তি করেন।

আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই রাতেই জাহানারাসহ দুজনকে প্রথমে কুষ্টিয়া ও পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসোতালে ভর্তি করা হয়। হামলার সময় বানুয়ারা বাড়িতে ছিলেন না।

এদিকে, ঘটনার রাতেই নিহতের বানুয়ারা বাদী হয়ে তার স্বামী আশাদুলকে আসামি করে গাংনী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছিলেন।

জাহানারার মৃত্যুতে ওই মামলার সঙ্গে এখন হত্যাকাণ্ডের ৩০২ ধারা যুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন গাংনী থানার ওসি আনোয়ার হোসেন। ওই মামলার আসামি হিসেবে আশাদুলকে শুক্রবার মেহেরপুর আদালতে সোপর্দ করেছে গাংনী থানা পুলিশ।

আসিফ ইকবাল/আরএআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।