বিয়ের তিন মাস পর গৃহবধূর আত্মহত্যা
পারিবারিক কলহের জের ধরে বিয়ের তিন মাস পর স্বামীর ওপর অভিমান করে গৃহবধূ রূপা (২০) আত্মহত্যা করেছেন। তবে ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামীসহ শ্বশুর-শাশুড়ি পলাতক রয়েছেন। এতে করে মৃত্যু নিয়ে এলাকাবাসীর মাঝে রহস্য সৃষ্টি হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মঙ্গলবার দুপুরে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ দেওভোগ নাগবাড়ি এলাকাস্থ এবিএম তাসেরের টিনসেট ভাড়াটিয়া বাসা থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) শাফিউল আলম জানান, রংপুরের পোশাক শ্রমিক মাহাবুবুর রহমান প্রথম স্ত্রীকে তালাক দিয়ে রূপার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরে রূপাকে নিয়ে মাহাবুব দেওভোগ নাগবাড়িস্থ এবিএম তাসেরের ভাড়াটিয়া বাসায় উঠেন। আর পাশের একটি বাড়িতে মাহাবুবের বাবা-মা বসবাস করেন। রূপার বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে প্রায় সময় ঝগড়া হতো।
মঙ্গলবার সকালে তুচ্ছ একটি ঘটনা নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়। পরে সকালের নাস্তা খেয়ে মাহাবুব বাসা হতে বের হয় যায়। বেলা সাড়ে ১১টায় রূপা ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন। খবর পেয়ে দুপুরে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে রূপা পারিবারিক কলহের জের ধরে আত্মহত্যা করেছেন। আর ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।
শাহাদাত হোসেন/এআরএ/পিআর