১০ দিনেও ট্রলারসহ নিখোঁজ ৩ শ্রমিক উদ্ধার হয়নি


প্রকাশিত: ০১:৫৫ পিএম, ০৩ মার্চ ২০১৭

বঙ্গোপসাগরে সুন্দরবন উপকূলের দুবলায় মাছ আহরণকালে ট্রলার ডুবিতে নিখোঁজ তিন জেলের সন্ধান ১০ দিনেও মেলেনি। উদ্ধার হয়নি ডুবে যাওয়া ট্রলারটি। এ ঘটনায় ট্রলার মালিকের পক্ষ থেকে শরণখোলা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

সুন্দরবন  বিভাগ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে ডুবে যাওয়া ট্রলারসহ নিখোঁজ শ্রমিকদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে বলে দাবি করা হয়েছে। অন্যদিকে, নিখোঁজ শ্রমিকদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে নানা উদ্বেগ উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।

শরণখোলা থানার জিডি ও দুবলা জেলে পল্লীর শ্রমিকদের সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টার দিকে বঙ্গোপসাগরের মোহনার কাছাকাছি অফিস কিল্লা এলাকার মাঝের খালের মুখে চট্টগ্রামের বাঁশখালী এলাকার বহদ্দার নিয়ন্ত্রণাধীন ‘এফ.বি খাজা বাবা’ নামের একটি ট্রলার গভীর সমুদ্র থেকে মাছ আহরণ শেষে দুবলা পল্লী এলাকায় ফিরছিল। এ সময় পথিমধ্যে হঠাৎ ওই ট্রলারটি ডুবে যায়। ওই সময় ট্রলারে থাকা ১০ শ্রমিকের মধ্যে ৭ জন সাঁতরে কিনারায় আসতে পারলেও বাঁশখালীর গুনাগরী এলাকার বাসিন্দা পেন্টাল দাসের ছেলে রবীন্দ্রজল দাস (৫০), চট্টগ্রামের বানিগ্রাম এলাকার বাসিন্দা মৃত বিধুভূষণ দাসের ছেলে দুলাল দাস (৩৩) ও বাঁশখালী এলাকার সৈয়দ বসুর ছেলে আবু হানিফ রসু (৪৭) নিখোঁজ হন।

নিখোঁজদের উদ্ধারে ২২ ফেব্রুয়ারি শ্রমিকদের মহাজন সুতাসেন বহদ্দার ডুবে যাওয়া ট্রলার ও নিখোঁজদের উদ্ধারের জন্য বন বিভাগসহ প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন। পাশাপাশি ২৬ ফেব্রুয়ারি শরণখোলা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। কিন্তু ঘটনার পর ১০ দিন অতিবাহিত হলেও নিখোঁজ তিন শ্রমিক কিংবা ট্রলার কিছুই উদ্ধার করা যায়নি।

শরণখোলা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল জলিল, পূর্ব সুন্দরবনের সহকারী বন সংরক্ষক মোহাম্মদ হোসেন ও কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের মংলা শাখার স্টাফ অপারেশন অফিসার লে. কর্নেল ফরিদ উজ্জামান জানান, বিষয়টি তারা অবগত আছেন। ট্রলারসহ নিখোঁজ শ্রমিকদের উদ্ধারে তাদের যৌথ অভিযান অব্যহত রয়েছে।

শওকত বাবু/আরএআর/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।