বঙ্গোপসাগরে লুণ্ঠিত ট্রলারসহ ১৩ জলদস্যু আটক


প্রকাশিত: ০৯:৫০ এএম, ২৭ মার্চ ২০১৭

বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে লুণ্ঠিত ফিশিং ট্রলারসহ ১৩ জলদস্যুকে আটক করেছে কোস্টগার্ড। এসময় তাদের কাছ থেকে ৩টি দেশীয় পিস্তল, ২২ রাউন্ড তাজা গুলি, ৩টি চাপাতি, ১০টি মোবাইল ফোন এবং নগদ ৬ হাজার ৪৮৭ টাকা জব্দ করা হয়েছে।

ট্রলার থেকে উদ্ধার করা হয়েছে অপহৃত ৭ মাঝি-মাল্লাকেও। রোববার রাত ৮টার দিকে কুতুবদিয়া-মাতারবাড়ী চ্যানেলের অদূরে গভীর সাগরে এ ঘটনা ঘটে।

আটক জলদস্যুরা হলো, চট্টগ্রামের বাঁশখালীর নিজাম উদ্দিন ভান্ডারি (৩৬), রবিউল আলম (২৬), কামাল উদ্দিন (৪০), রেজাউল আজিম (৩২), মোহাম্মদ হেলাল (২৬), মো. কামাল (২৮), আমিন হোসেন (২০), মো. রাজু (২৬), মো. আনোয়ার (৪০), কক্সবাজারের পেকুয়ার সারোয়ার (২৮), মো. সোহেল (২১), আবদুল খালেক (২০) ও মহিউদ্দিন (২৬)।

কোস্টগার্ড পূর্ব-জোনের কর্মকর্তা লে. কমান্ডার মো. ওমর ফারুক অভিযান ও উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মাছ ধরার ট্রলার লুট ও মাঝি-মাল্লাদের জিন্মি করে রাখার খবরে কোস্টগার্ডের তাজউদ্দিন জাহাজের অধিনায়ক কমান্ডার এম নাজমুল হাসান দ্রুত জাহাজনিয়ে উক্ত ট্রলারের কাছে যায়।

CGB

কোস্ট গার্ড জাহাজ আসতে দেখে জলদস্যু দল পালিয়ে যাওয়ার কালে ধাওয়া করে তাদের আটক করা হয়। রোববার বিকেলে কুতুবদিয়া-মাতারবাড়ী চ্যানেল থেকে ২৬ নটিক্যাল মাইল গভীর সাগরে অভিযান চালিয়ে তাদের ১৩ জলদস্যূকে আটক এবং জিম্মি ৭ মাঝি-মাল্লাকে উদ্ধার করা হয়েছে।

দস্যুদের কাছ থেকে ৩টি দেশীয় পিস্তল, ২২ রাউন্ড তাজা গুলি, ৩টি চাপাতি, ১০টি মোবাইল ফোন এবং নগদ ৬ হাজার ৪৮৭ টাকা জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া ইঞ্জিন চালিত কাঠের বোট উদ্ধার করা হয়েছে। জব্দ করা মালামাল ও বোটের আনুমানিক মূল্য ৩৬ লাখ টাকা। মামলার পর মালামাল ও জলদস্যুদের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে কোস্টগার্ড।

কক্সবাজার বোট মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক আহমদও বিষয়টি জানিয়েছেন।

সায়ীদ আলমগীর/এএম/এমএস/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।