রাজনীতিবিদ মাজহারুল ইসলাম হেলালের মৃত্যু বার্ষিকী
শেরপুরের প্রবীণ রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী এবং একাত্তর টিভি’র জেলা প্রতিনিধি রেদওয়ানুল হক আবীরের পিতা মাজহারুল ইসলাম হেলালের প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী ২৯ এপ্রিল। এ উপলক্ষে বুধবার তার গ্রামের বাড়ি শহরের কসবা খাঁ মসজিদে দোয়া ও কোরআন খানীর আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া শহরের জেলা বালিকা শিশু পরিবারে (এতিমখানা) দোয়া ও মিলাদের আয়োজন করা হয়েছে।
মাজহারুল ইসলাম হেলাল বাংলা ১৩৫২ সনে নানা রহমতউল্লা মাস্টারের বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। স্থানীয় ভিক্টোরিয়া একাডেমিতে পড়াশোনা করা অবস্থায় নবম শ্রেণীতে পড়াশোনাকালে তৎকালীন পাকিস্থানের সামরিক শাসক আইয়ুব সরকার বিরোধী আন্দোলনে আইয়ুব খানের ছবি ভাংচুর করে ফেরারী হন। এরপর থেকে তিনি সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। মেট্রিকুলেশন পাশ করে তিনি বড় বোনের বাড়ি চট্টগ্রামে স্থানীয় কমার্স কলেজে ভর্তি হন। এরপর পড়াশোনা শেষ করে চট্টগ্রামের গ্লাক্সো কোম্পানিতে চাকুরি নেন। কিছুদিন চাকুরি করে পশ্চিম জার্মানিতে পাড়ি জমান। সেখানে দীর্ঘদিন চাকুরি করে ১৯৮২ সালে শেরপুর শহরের জন্মস্থানে ফিরে আসেন। এখানে এসেই তিনি বাটা সু-কোম্পানির এজেন্টের ব্যবসা শুরু করেন। পাশাপাশি তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন। তিনি প্রথমে শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পরে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি’র পাশাপশি জেলা কৃষক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং আমৃত্যু ওই পদে দায়িত্বরত ছিলেন। রাজনীতির পাশাপশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
ব্যক্তি জীবনে তার স্ত্রী, এক ছেলে এবং দুই কন্যা সন্তান রয়েছে। তার ছেলে রেদওয়ানুল হক আবীর বর্তমানে আইনজীবী পেশার পাশাপাশি বাটা সু-এজেন্সির ব্যবসা এবং একাত্তর টিভি’র জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
তিনি ২০১৪ সালের ২৯ এপ্রিল ঢাকার পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
এসএস/এমএস