৩ দিনের বৃষ্টিতে ঝালকাঠি পৌর এলাকাসহ অর্ধশত গ্রাম প্লাবিত


প্রকাশিত: ০৭:৩৯ এএম, ২২ এপ্রিল ২০১৭

৩ দিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ার কারণে ঝালকাঠিতে সুগন্ধা ও বিষখালী নদী উপকূলীয় প্রায় অর্ধশত গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

বুধবার রাত থেকে শুরু হওয়া ৩ দিনের বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ায় নদীর পানি বৃদ্ধিতে নদী তীরবর্তী ঝালকাঠি পৌর এলাকার ও নলছিটি পৌর শহরের কয়েকটি এলাকাসহ জেলার নিম্নাঞ্চলের প্রায় অর্ধশত গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে আবাসিক এলাকাসহ ফসলি জমি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

জানা গেছে, ঝালকাঠি পৌর এলাকার ৫নং ওয়ার্ডের পোস্ট অফিস রোড, ২নং ওয়ার্ডের জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনের সড়ক, জেলা কারাগারে প্রবেশের রাস্তা, ৯নং ওয়ার্ডের সিটি পার্ক চর, লঞ্চঘাট, কলাবাগান, কাঠপট্টি ট্রলার ঘাট, ৩নং ওয়ার্ডের গুরুধাম, বাসস্ট্যান্ড, পেট্রোল পাম্প, সুতালড়ি, সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ও পাটকেলঘাটা ইউনিয়নসহ প্রায় অর্ধশত গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

প্লাবিত এলাকাসমূহে সাপ এবং বিষাক্ত পোকার আতঙ্ক বিরাজ করছে। ঝালকাঠি পুরাতন স্টেডিয়াম সংলগ্ন দারুন্নাজাত মহিলা মাদারাসার পরিচালক মাওলানা মাইনুল হক জানান, ৩ দিন ধরে মাদরাসাটি পানিবন্দি হওয়ার কারণে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় সমস্যা হচ্ছে। বৃষ্টির পানি ছাড়াও জোয়ারের পানিতে মাদরাসায় আসা যাওয়ার সড়কটি তলিয়ে গেছে।

মাদরাসার আবাসিক শিক্ষার্থী মরিয়ম, সাজিয়া ও লাবনি বলেন, মাদরাসাটির চারপাশে পানি থাকার কারণে আমাদের থাকতে খুব কষ্ট হয়।

jhalakati

অনাবাসিক শিক্ষার্থী ফাতিমা, তানিয়া ও মিতু বলেন, মাদরাসায় আসা ও যাওয়ার সড়কটি পানিতে ডুবে যাওয়ার কারণে আমাদের মাদরাসায় আসতে ও যেতে অনেক কষ্ট হয়।

কৃষকরা জানান, ৩ দিনের বৃষ্টিতে মৌসুমি সবজি, ভুট্টা, তরমুজ ও বাঙ্গিখেত তলিয়ে গেছে। ফসলসমূহ অপরিপক্ক অবস্থায় তুলতে হচ্ছে। এতে খরচের টাকা ওঠানোও কষ্টকর হয়ে পড়বে।

নলছিটির নাচনমহল ইউপি সদস্য নান্নু হাওলাদার জানান, নদী তীরবর্তী গ্রামে বেড়িবাধ না থাকায় অবাধে পানি ঢুকে আবাসিক এলাকা ও ফসলি জমি তলিয়ে গেছে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুতি রয়েছে বলেও সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে।

আতিকুর রহমান/এফএ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।