প্রতিটি দুর্যোগে তার চেষ্টায় প্রাণ বাঁচে বহু মানুষের
একানব্বইয়ের প্রলঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে মহেশখালীর সোনাদিয়া দ্বীপের অসংখ্য মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছিলেন শোভা রাণী। এর পরই তাকে ‘লেডি অব আইল্যান্ড’ উপাধি দেয়া হয়। সেই থেকে আজ পর্যন্ত সাহসী এই নারী সারাক্ষণ মানুষের প্রাণ বাঁচাতে সতর্ক অবস্থানে থাকেন।
ওই সময়ের ঘটনায় তাকে নিয়ে প্রামাণ্যচিত্রও দেখানো হয়েছিল বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। আর এরই সূত্র ধরে উপকূলে সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণের অনুদান আসে। সব সময় উপকূলের মানুষের পাশে থেকেছেন অথচ আজ পর্যন্ত নিজের জন্য কিছুই করতে পারেননি তিনি।
তারপরও মনে কোনো কষ্ট নেই ‘লেডি অব আইল্যান্ড’র। এখনও দ্বীপের মানুষের সেবায় নিয়োজিত শোভা রাণী। স্বজনদের দূরে রেখে স্বামী শচিরাম দাসসহ মহেশখালী সদরের সোনাদিয়ার শিক্ষা প্রসারে কাটিয়ে দিয়েছেন ৩০টি বছর।
শোভা রাণী জানান, উপকূলের মানুষ সব সময় জীবনের সঙ্গে যুদ্ধ করে। লাগাতার যুদ্ধে যখন তারা ক্লান্ত হয়ে পড়ে তখনই প্রাকৃতিক দুর্যোগ হানা দেয়। এ সময়টাতে তাদের সতর্ক করে নিরাপদ আশ্রয়ে নেয়া বড়ই কঠিন কাজ। তারপরও চেষ্টা করছি এসব মানুষের পাশে থেকে তাদের জন্য কিছু করার।
তিনি জানান, আমার চেষ্টায় একটি মানুষেরও যদি প্রাণ বাঁচে তবুও আমি স্বার্থক।
এমএএস/পিআর