সরিয়ে নেয়া হচ্ছে খাগড়াছড়ির ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বাসকারীদের
রাঙামাটিতে ভয়াবহ পাহাড় ধসে শতাধিক প্রাণহানির পর খাগড়াছড়িতেও ভারী বর্ষণে পাহাড় ধস শুরু হয়েছে। পাহাড় ধসে প্রাণহানির আশঙ্কায় শুক্রবার সকাল থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারীদের আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নিচ্ছে প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার রাত থেকে ফের টানা বর্ষণে খাগড়াছড়ি জেলা সদরের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক পাহাড় ধস দেখা দিয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এলিশ শরমিনের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ জেলা শহরের শহরের রয়েছে, কলাবাগান, নেন্সিবাজার, শালবন, হরিনাথ পাড়া গ্যাপ, আঠার পরিবার এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারী লোকজনকে আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নিতে শুরু করেছে।
খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এলিশ শরমিন জানান, বর্ষণ শুরু হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধস দেখা দিয়েছে। জানমালে ক্ষতি রোধে লোকাজনকে আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। শালবনের জেলা প্রশাসনের স্টাফ কোয়ার্টারকে আশ্রয় শিবির হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। সেখানে আশ্রিতদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

খাগড়াছড়ি ফায়ার সার্ভিসের লিডার মো. জসিম উদ্দীন জানান, ঝুঁকি জেনেও অনেকে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে চাইছে না। তাদেরকে বুঝিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া হচ্ছে।
খাগড়াছড়ি সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারেক মো. আব্দুল হান্নান জানান, বর্ষণ শুরু হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধস দেখা দিয়েছে। দুপুর পর্যন্ত অন্তত ৩০টি পরিবারকে আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে।
মোল্লাপাড়ার বাসিন্দা মো. আলী অভিযোগ করেন, কিছু অসাধু ব্যক্তি অপরিকল্পিতভাবে পাহাড় কেটে বাড়িঘর নির্মাণ করার কারণে ঝুঁকি আরও বেড়েছে।
জেলা প্রশাসক মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, পাহাড় কাটা ও পাহাড়ের ঢালে বসতি স্থাপনের বিষয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সুস্পষ্ট নির্দেশনা নেই।
মুজিবুর রহমান ভুইয়া/আরএআর/পিআর