বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মুন্নুর দাফন সম্পন্ন
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এবং সাবেক মন্ত্রী ও মুন্নু গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান হারুনার রশিদ খান মুন্নুকে অশ্রুসিক্ত বিদায় জানাল দলীয় নেতাকর্মী, বন্ধু, শুভাকাঙ্খী, স্বজনসহ হাজারো মানুষ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় তাকে মানিকগঞ্জের মুন্নু সিটিতে নিজের প্রতিষ্ঠিত মসজিদের পাশে দাফন করা হয়।
এর আগে রাজধানী ঢাকা ও নিজ জেলায় তার মোট ৭টি জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি জানাজায়ই ছিল হাজারও মানুষের ঢল। নিজ দলের নেতাকর্মী ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের পক্ষ থেকে তার কফিনে ফুল দিযে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
হারুনার রশিদ খান মুন্নুর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয় রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে। এরপর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তৃতীয় জানাজা হয় নিজ প্রতিষ্ঠান ধামরাইয়ের মুন্নু সিরামিকসে। চতুর্থ জানাজা অনুষ্ঠিত হয় মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া সৈয়দ কালুশাহ কলেজ মাঠে।
এরপর মানিকগঞ্জ সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হয় পঞ্চম জানাজা। হরিরামপুরের পাটগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ৬ষ্ঠ এবং সর্বশেষ মুন্নু মেডিকেল কলেজ মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তাকে দাফন করা হয় নিজের প্রতিষ্ঠিত মসজিদের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে।

বার্ধক্যজনিত কারণে মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার গিলন্ড এলাকায় মুন্নু সিটির নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন হারুনার রশিদ খান মুন্নু। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
তার বড় মেয়ে আফরোজা খান রীতা মুন্নু গ্রুপ অব ইন্ড্রাস্টিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। ছোট মেয়ে ফিরোজা মাহমুদ সাবেক জ্বালানি উপদেষ্টা ও দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের স্ত্রী।
হারুনার রশিদ খান মুন্নু মানিকগঞ্জ-২ ও ৩ আসনে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দপ্তরবিহীন মন্ত্রীরও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
বি.এম খোরশেদ/আরএআর/আরআইপি