রাঙামাটিতে নিহত ৩ ইউপিডিএফ কর্মীর মরদেহ উদ্ধার
রাঙামাটির লংগদু উপজেলার সদর ইউনিয়নে প্রতিপক্ষের গুলিতে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট`র (ইউপিডিএফ) তিন কর্মী নিহত হয়েছেন। রোববার ভোর ৬টার দিকে উপজেলা সদরের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা ভাইবোনছড়ার হাড়িকাটায় এ ঘটনা ঘটে। সকাল ১০টার দিকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত ৩ ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) কর্মী হলেন, ভাইবোনছড়ার বাসিন্দা ফুলমণি চাকমার ছেলে যুদ্ধমনি চাকমা ওরফে অনিক (৩০), বড় কাট্টলীর বাসিন্দা রুস্তম চাকমার ছেলে রুপময় চাকমা ওরফে সুজয় (২৮) ও নানিয়ারচরের সাবেক্ষং ইউনিয়নের ছোট করল্যাছড়ির বাসিন্দা নারায়ণ চাকমার ছেলে সুমন চাকমা (৩৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দলের সাংগঠনিক কাজে একদল ইউপিডিএফ-কর্মী ওই এলাকার একটি বাড়িতে রাত যাপন করেন। এ খবর জানতে পেরে প্রতিপক্ষের সশস্ত্র সদস্যরা রোববার ভোরে বাড়িটি ঘিরে ফেলে এবং বাড়িটি লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই ওই তিনজনের মৃত্যু ঘটে। পরে বাড়িটি আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেয় সন্ত্রাসীরা। এছাড়া বাড়িতে থাকা অপর এক নারী ও এক শিশুর ভাগ্যে কী ঘটেছে তা জানা যায়নি।
লংগদু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম চৌধুরী ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করেছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে জেএসএসের কেন্দ্রীয় সহ-তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা বলেন, এ ঘটনায় তাদের কেউ জড়িত নেই। ইউপিডিএফের অন্তর্কোন্দলে ঘটনাটি ঘটতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
# ইউপিডিএফের ৩ কর্মী খুন : দায় অস্বীকার জেএসএসের
সুশীল প্রসাদ চাকমা/এআরএ/আরআই/এসআরজে