ভোলায় ৬ উপজেলা অন্ধকারে : ৩০ গ্রামের মানুষ পানিবন্দী


প্রকাশিত: ০১:৩৬ পিএম, ২৫ জুন ২০১৫

বৃহস্পতিবার ভোলায় নিম্নচাপের প্রভাবে দেড় ঘণ্টার ঝড় আর টানা বৃষ্টিতে বিভিন্ন স্থানে গাছপালা ভেঙে পড়েছে। বিপর্যস্ত হয়েছে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা। ৬ উপজেলা রয়েছে অন্ধকারে। অপরদিকে জেলা শহরসহ ৩০টি গ্রামে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।

শহরের ঘরবাড়িতেও ৩/৪ ফুট পানি জমে গেছে। এর  সঙ্গে যোগ হয় অতি জোয়ারের পানি। টানা ৩ দিনের বৃষ্টিতে শহরের ড্রেন খাল থেকে পানি সরছে না। পানি না কমায় জেলাব্যাপী দুর্ভোগে পড়েছেন ৫ লাখ মানুষ। ভোলা পৌরসভা এলাকার ২, ৩ ও ৫ নং ওয়ার্ডের কয়েক হাজার পরিবার পানি বন্দী রয়েছে।

দক্ষিণ দিঘলদী ইউপি চেয়ারম্যান ইফতারুল হাসান স্বপন জানান, তার ইউনিয়নে অর্ধেকের বেশি এলাকা তলিয়ে গেছে। অতিজোয়ারে জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে মেঘনা নদী তীর ভাঙনের মুখে পড়ে বিলীন হতে শুরু করেছে। রামদাসপুর, বঙ্গের চর, ইলিশা ফেরিঘাট, দৌলতখানের ভবানীপুর, হাজিপুর বাঁধে মেঘানর ঢেউ আচড়ে পড়তে থাকে। যেসব স্থানে বাঁধ নেই ওই পয়েন্ট দিয়ে পানি হু হু করে প্রবেশ করে।

ইলিশা ফেরিঘাট এলাকা তলিয়ে গেছে। ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটের ইলিশা ফেরিঘাটসহ গ্যাংওয়ে ডুবে গেছে। ফেরির দায়িত্বে থাকা ম্যানেজার আবু আলম জাগো নিউজকে জানান, দুর্যোগের কারণে ফেরির ট্রিপ বাতিল করা হয়েছে।

অমিতাভ অপু/এমজেড

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।