শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ, বাংলাবান্ধা বন্দরে অচলাবস্থা
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে পণ্য খালাসের সুযোগের দাবিতে বাংলাবান্ধা-ঢাকা জাতীয় মহাসড়ক ৭ ঘণ্টা অবরোধ করে রাখে শ্রমিকদের একটি সংগঠন।
রোববার সকাল ৬টায় মহাসড়কে মহাসড়কে শুয়ে, বসে যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে শ্রমিকরা। এতে সড়কের উভয় পাশে শতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে।
দুভোর্গে পড়েন ভারত-বাংলাদেশে যাতায়াতাকারী পর্যটক, পাথর ব্যবসায়ীসহ যাত্রীরা। দুপুর ১টার দিকে পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের হস্তক্ষেপে অবরোধ তুলে নেয় শ্রমিকরা।
স্থলবন্দর ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তেঁতুলিয়া উপজেলা লোড-আনলোড কুলি শ্রমিক ইউনিয়নের সংগঠনের সব সদস্যই স্থলবন্দরে নিয়মিত কাজ করেন। কিন্তু কুলি শ্রমিক ইউনিয়নের আরেক সংগঠনের মাত্র ৪০ জন কাজ করার সুযোগ পান। এ নিয়ে একাধিবার বৈঠক হলেও কোনো সুরাহা হয়নি। একপর্যায়ে বঞ্চিত কুলি শ্রমিকরা সমহারে কাজের দাবিতে এ আন্দোলন শুরু করেন।
তেঁতুলিয়া উপজেলা লোড-আনলোড কুলি শ্রমিক ইউনিয়নের (২৩০৫) সভাপতি মো. গোলাম রসুল বলেন, বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে দুইটি কুলি শ্রমিক সংগঠন রয়েছে। তাদের মধ্যে সমহারে কাজ ভাগাভাগির দাবিতে এ অবরোধ কর্মসূচি। তাদের সংগঠনের ১৫৪ জন সদস্যের সবাই কাজ করেন। কিন্তু আমাদের সংগঠনের মাত্র ৪০ জন সুযোগ পান।
বাংলাবান্ধা ইউপি চেয়ারম্যান খুদরত-ই-খুদা মিলন বলেন, দুটি কুলি শ্রমিক ইউনিয়নের মধ্যে সমহারে কাজ বণ্টনের দাবিতে কুলি শ্রমিকদের একটি সংগঠন অবরোধ করেছিল। বিষয়টি নিয়ে আলোচনার আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা অবরোধ তুলে নেয়।
তেঁতুলিয়া থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) আব্দুস ছবুর বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টার কথা বললে তারা অবরোধ তুলে নেয়।
সফিকুল আলম/এএম/জেআইএম