শকুন সংরক্ষণে প্রতিশ্রুতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক সিলেট
প্রকাশিত: ০৯:৪১ এএম, ১৭ মে ২০১৮
শকুন সংরক্ষণে প্রতিশ্রুতি

বাংলাদেশে ৭ প্রজাতির শকুনের দেখা পাওয়া যেত। তার মধ্যে বাংলা শকুন ও সরুঠুটি শকুন আবাসিক শকুন হিসেবে পরিচিত। বাংলা শকুন একসময় সারাদেশে বিস্তৃত থাকলেও বর্তমানে আইইউসিএন এটিকে মহাবিপন্ন পাখির তালিকায় স্থান দিয়েছে।

বুধবার এই মহাবিপন্ন শকুন সংরক্ষণে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার গুলনী বস্তী গ্রামে। সেখানে শকুন বিলুপ্তির জন্য পশু চিকিৎসায় ডায়ক্লোফেনাক ও কিটোপ্রোফেন জাতীয় ওষুধের ব্যবহার ও আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়াকে দায়ী করা হয়। তাই এ সভায় উপস্থিত গ্রামবাসী শকুন বিলুপ্তির কারণ, সংরক্ষণে সচেতনতা, আবাসস্থল রক্ষা ও পশু চিকিৎসায় ক্ষতিকারক ডায়ক্লোফেনাক ও কিটোপ্রোফেন জাতীয় ওষুধের ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হন।

ইউএসএইড’র ক্রেল প্রকল্পের আওতায় সিএনআরএস আয়োজিত সহব্যবস্থাপনা নির্বাহী কমিটি, খাদিমনগর জাতীয় উদ্যানের উদ্যোগে শকুন সংরক্ষণ বিষয়ক সচেতনতামূলক সভায় উপস্থিত ছিলেন ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আমিনুর রহমান চৌধুরী, সহব্যবস্থাপনা নির্বাহী কমিটি, খাদিমনগর জাতীয় উদ্যানের সভাপতি মুর্শেদ আহমেদ চৌধুরী, সিলেট বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা দেলোয়ার রহমান, প্রাণিসম্পদ দফতরের কর্মকর্তা রতন চন্দ্র, রাতারগুল সহব্যবস্থাপনা সাধারণ কমিটির সদস্য মো. আব্দুল করিম শিকদার, স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আব্দুল গউছ, গুলনী চা-বাগানের ব্যবস্থাপক মো. আছাদুজ্জামান, গণমাধ্যম কর্মী শেখ নাছির।

ছামির মাহমুদ/এফএ/আরআইপি