খুলনা-বাগেরহাট-বরিশাল রুটে ২য় দিনেও বাস চলাচল বন্ধ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি বাগেরহাট
প্রকাশিত: ০৭:২১ পিএম, ২২ জুন ২০১৮
ফাইল ছবি

ঝালকাঠি বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির অবৈধ চাঁদার দাবি ও মাঝ পথে যাত্রীদের নামিয়ে হয়রানি করার কারণে অনির্দিষ্টকালের জন্য ডাকা বাস ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিন শুক্রবারও খুলনা-বাগেরহাট-বরিশালে সরাসরি যাত্রীবাহী বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।

বাস ধর্মঘট চালিয়ে যাবার ঘোষণা দেয়া ৬টি বাস মালিক সমিতির মধ্যে রয়েছে, বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস মিনিবাস কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতি, রূপসা-বাগেরহাট বাস মিনিবাস কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতি, রূপসা-বাগেরহাট আন্তঃজেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি, মহিষপুরা- খুলনা আন্তজেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতি, পিরোজপুর জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতি ও বরিশাল বাস মিনিবাস মালিক সমিতি।

ঝালকাঠি বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির অবৈধ চাঁদার দাবি ও মাঝপথে যাত্রীদের নামিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বাগেরহাটে ৬টি বাস মালিক সমিতির প্রতিনিধিরা সংবাদ সম্মেলন করে সন্ধ্যা থেকে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়।

এসময় বাস মালিক সমিতির প্রতিনিধিরা ঝালকাঠি বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির অবৈধ চাঁদার দাবি ও যাত্রী হয়রানির প্রতিবাদে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানান।

এদিকে খুলনা থেকে বরিশালগামী সরাসরি যাত্রীবাহি বাস চলাচল দ্বিতীয় দিনেও বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছে এ রুটে চলাচলকারী সাধারণ যাত্রীরা। এই রুটে প্রতিদিন সরাসরি ৫২টি বাস চলাচল করে থাকে। অনির্দিষ্টকালের জন্য ডাকা বাস ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিন চরম ভোগান্তির সঙ্গে সঙ্গে বেশি ভাড়া দিয়ে ভেঙে-ভেঙে যাত্রীরা তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে।

বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস মিনিবাস কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক তালুকদার আব্দুল বাকী বলেন, ঝালকাঠি বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির চাঁদা দাবি, অযৌক্তিক চাহিদা এবং মাঝ পথে যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে ভোগান্তি সৃষ্টি করার কারণে আমরা অনির্দিষ্টকালের জন্য এ রুটে সরাসরি বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছি। যতদিন পর্যন্ত ঝালকাঠি বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির চাঁদা দাবি ও অযৌক্তিক হয়রানি বন্ধ হবে না ততদিন পর্যন্ত এ রুটে সরাসরি বাস চলাচল বন্ধ থাকবে।

খুলনা-বাগেরহাট-বরিশাল রুটের যাত্রীবাহী বাসের চালক বাবু মনি বলেন, খুলনা থেকে বাগেরহাট হয়ে বরিশাল যাওয়ার পথে ঝালকাঠির কালিজিড়া ব্রিজের কাছে ঝালকাঠি বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির নেতারা দীর্ঘ দিন ধরে অবৈধভাবে চেকপোস্ট বসিয়ে চাঁদা দাবিসহ বাস থেকে যাত্রী নামিয়ে হয়রানি করে আসছে। আর এ কারণে যাত্রীদের পাশাপাশি আমাদেরও ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়।

শওকত আলী বাবু/এমএএস/পিআর