ঝালকাঠিতে দাম চড়া হলেও দেশি গরুর চাহিদা বেশি

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি ঝালকাঠি
প্রকাশিত: ০৭:২৭ পিএম, ১৪ আগস্ট ২০১৮

ঝালকাঠিতে পশুর হাটগুলোতে দেশি গরুর সরবরাহ বাড়লেও দাম কমেনি। দাম বেশি হলেও সাস্থ্যসম্মত উপায়ে কোরবানির জন্য তৈরি করা দেশি জাতের গরুই বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে বেশি।

এদিকে, ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির পশু বিক্রি হচ্ছে গ্রামের বাড়িতে বাড়িতে। গৃহস্থালী, ফরিয়া ও পাইকাররা গ্রামের খামারে পারিবারিকভাবে পালন করা পশু কেনে বাজারে তুলছেন।

cow-(2)

জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, কোরবানি উপলক্ষে জেলায় মোট পশুর চাহিদা রয়েছে ৪৬ হাজার ৮৪৭টি। এর মধ্যে ৩৭ হাজার ৬২১টি গরু এবং ৯ হাজার ২২৬টি ছাগল-ভেড়া রয়েছে।

স্থানীয় গরু ব্যবসায়ী মো. মনির খান বলেন, নলছিটির শ্রীরামপুর থেকে রাজাপুরের বাগড়ি হাটে গরু কিনতে যাই। ভারতের গরু না আসায় এখন দেশি গরুর চাহিদা বেশি। সেইসঙ্গে দামও বেশি। হাটে তেমন গরু আসেনি। গ্রামে গ্রামে খোঁজ নিয়ে কয়েকটি গরু কিনেছি। এগুলো বাজারে তুলে বিক্রি করব।

cow-(3)

গরুর ব্যাপারী আব্দুল কাদের বলেন, গৃহস্থালী গরু-ছাগলগুলো এখনো বাজারে তোলা হয়নি। যে কয়েকজন গরু তুলছেন তারা দাম চাচ্ছেন অতিরিক্ত। গত ১০ দিন আগের তুলনায় প্রতিটি গরুতে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা দাম বেশি চাচ্ছেন খামারিরা। তাই খামারিদের বাড়িতে খোঁজ নিয়ে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে গরু কিনছি।

গরু বিক্রি করতে আসা রাজাপুরের কানুদাসকাঠি গ্রামের আনছার উদ্দিন বলেন, আমার গোয়ালে দুটি গরু আছে। রোববার রাজাপুরের বাগড়ি হাটে গরু নিয়ে যাই। এখনো তেমন দাম ওঠেনি। আমার ষাড় গরুটা ৮৫ হাজার টাকা হলে বিক্রি করব। এখন পর্যন্ত ৭০ হাজার টাকা দাম উঠেছে।

মো. আতিকুর রহমান/এএম/পিআর

আপনার মতামত লিখুন :