সার সঙ্কটে কুয়াকাটার কৃষকরা

উপজেলা প্রতিনিধি উপজেলা প্রতিনিধি কুয়াকাটা (পটুয়াখালী)
প্রকাশিত: ০৯:২৮ পিএম, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় ইউরিয়া সারের সঙ্কটে হতাশ কৃষকরা। গত তিন-চার ধরে এ সঙ্কট দেখা দিয়েছে। এর আগেও চাহিদা মতো সার পাননি কৃষকরা। ফলে কৃষকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এ অঞ্চলের কৃষকরা আমন ধানের বীজ রোপণ মাত্র শেষ করেছেন।

কৃষি অফিস বলছে, দু’তিনদিনের মধ্যে এ সঙ্কট কেটে যাবে। আর কৃষকরা বলছেন বর্তমান আবহাওয়া জমিতে সার ছিটানোর উপযোগী সময়।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, মহিপুর থানার লতাচাপলী ইউনিয়নের কৃষকরা আলীপুর বাজারে সার কিনতে এসে পাচ্ছেন না। তাদের চোখে মুখে হতাশার ছাপ। জমিতে সার ছিটানোর উপযোগী সময় সার না পেলে তাদের অপূরণীয় ক্ষতি হবে।

লতাচাপলী ইউনিয়নের মাইটভাঙা গ্রামের কৃষক হারুন অর রশিদ আলীপুর বাজারে এসে সার কিনতে পারেননি। তিনি বলেন, আমি প্রত্যেকটি দোকানে গেছি। কিন্তু সার পাইনি। আমার জমিতে এখন সার না দিলে ব্যাপক ক্ষতি হবে।

তার কথা মতো সারের দোকানে গিয়ে জানা যায়, আলীপুর বাজারের কোনো দোকানে সার নেই। দুই এক বস্তা সার আছে খুচরা বিক্রয়ের জন্য। কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি করে ডিলার বা দোকানদাররা বেশি দামে সার বিক্রি করছেন এমন অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

এ প্রসঙ্গে আলীপুর বাজারের সার বিক্রেতা মো.সেলিম হাওলাদার বলেন, তিনদিন আগে সার শেষ হয়ে গেছে। আগামী দু’তিনদিনের মধ্যে সার আসবে বলে শোনা যাচ্ছে। বর্তমানে সারের পর্যাপ্ত চাহিদা রয়েছে।

এ বিষয়ে লতাচাপলী ইউনিয়নের কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, বর্তমানে আলীপুরের কোনো দোকানে সার নেই। শনিবার সন্ধ্যায় মহিপুর থেকে ৫০ বস্তা সার আনা হবে। আগামী দু’তিনদিনের মধ্যে এখানে পর্যাপ্ত সার আসবে।

এএম/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]