রাস্তা ভেঙে ভোগান্তিতে তিনটি গ্রামের মানুষ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি গাইবান্ধা
প্রকাশিত: ০৪:১৩ পিএম, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের পূর্ব কঞ্চিপাড়া (বালাসি রেলগেট) এলাকায় যমুনা নদীর পানির চাপে সোমবার মধ্যরাতে একটি রাস্তার প্রায় ১০ মিটার অংশ ভেঙে গেছে। এতে করে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে তিনটি গ্রামের দুই শতাধিক শিক্ষার্থী ও প্রায় তিন হাজার মানুষকে। ভাঙা ওই অংশ দিয়ে পানি প্রবেশ করে নিমজ্জিত হয়েছে প্রায় ৩৫০ হেক্টর জমির আমন ধান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব কঞ্চিপাড়া গ্রাম থেকে বালাসিঘাট রেলওয়ের দক্ষিণ দিকে খোলাবাড়ী ও উড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর উড়িয়া গ্রামে যাতায়াতের জন্য একটি রাস্তা রয়েছে। রাস্তাটি দিয়ে এসব এলাকার দুই শতাধিক শিক্ষার্থী ও প্রায় তিন হাজার মানুষ প্রতিদিন চলাচল করে। প্রতি বছর যমুনা নদীতে পানি বেড়ে গেলে এই রাস্তাটির উপর দিয়ে পানির স্রোত বয়ে যায় ও রাস্তাটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গত ছয় মাস আগে রাস্তাটি টিআর প্রকল্পের টাকা দিয়ে পুনরায় মেরামত করা হয়। কিন্তু গতকাল সোমবার রাত দুইটার দিকে রাস্তাটির প্রায় ১০ মিটার অংশ ভেঙে যায়।

Gaibandha2

মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, ভেঙে যাওয়া ওই রাস্তাটি যমুনা নদী সংলগ্ন। ফলে প্রতি বছরই নদীতে পানি বৃদ্ধি পেলে রাস্তাটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রাস্তাটি ভেঙে যাওয়ায় মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। কেন না, ভেঙে যাওয়া রাস্তার ওই অংশের পশ্চিম পাশ দিয়ে চলাচল করছে নৌকা। আর সেখানে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে অনেকগুলো বিদ্যুতের তার। তাই দ্রুত রাস্তাটি মেরামত করে দেয়ার দাবি করেছেন স্থানীয়রা।

কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আব্দুল হামিদ সরকার বলেন, রাস্তাটি ভেঙে যাওয়ায় খোলাবাড়ী গ্রামের গৌড়িপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পূর্ব কঞ্চিপাড়া গ্রামের দক্ষিণ রসুলপুর জান্নাতুল আত্বফাল নুরানী হাফেজিয়া মাদরাসাসহ কঞ্চিপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় এবং বালিকা বিদ্যালয়সহ কলেজের দুই শতাধিক শিক্ষার্থী ও প্রায় তিন হাজার মানুষকে সকাল থেকেই ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। সকালে প্রশাসনের লোকজন এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গেছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা বালুর বস্তা ফেলে ভেঙে যাওয়া রাস্তার অংশটি মেরামত করে দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

রওশন আলম পাপুল/এমএএস/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।