মাথায় টিউমার আক্রান্ত শিশুটিকে রমেকে ভর্তির সিদ্ধান্ত

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি গাইবান্ধা
প্রকাশিত: ০৯:৫৫ পিএম, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৮

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের বুড়িরভিটা এলাকায় মাথার পেছনে একটি বড় টিউমার নিয়ে জন্ম নেয়া শিশুটিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে রাতে ভর্তি করা হবে।

রোববার বিকেলে সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. রহিমা খাতুন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু আহাম্মেদ আল মামুন ও দামোদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ জেড এম সাজেদুল ইসলাম স্বাধীন শিশুটিকে দেখতে যান।

পরে শিশুটির পরীক্ষা-নীরিক্ষা শেষে অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় ডা. আবু আহাম্মেদ আল মামুন শিশুটির বাবা-মাকে রমেকে ভর্তি করতে বলেন। এ জন্য অ্যাম্বুলেন্স সুবিধাও দেয়া হচ্ছে তাদেরকে। এ সময় ইউএনও রহিমা খাতুন ৫ হাজার টাকা ও ইউপি চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম স্বাধীন এক হাজার টাকা অনুদান দেন।

এ প্রসঙ্গে ইউএনও রহিমা খাতুন জাগো নিউজকে বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু আহাম্মেদ আল মামুন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দেখেছেন শিশুটির অবস্থা সংকটাপন্ন। যত দ্রুত সম্ভব তাকে নিউরোসার্জন ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে বলেছেন তিনি। রংপুর মেডিকেলে যাওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্স সুবিধাও দেয়া হচ্ছে তাদেরকে। শিশুটির চিকিৎসা নিশ্চিত করতে ডিসি স্যারও নির্দেশ দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, রাত আটটার দিকে তারা রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের উদ্দেশে নিজ বাড়ি থেকে রওনা দেবেন। এ ছাড়া তাদের প্রাথমিকভাবে পাঁচ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে পরে আবারও শিশুটির চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা করা হবে।

শিশুটির বাবা এরশাদুল হক কোনা জাগো নিউজকে বলেন, শিশু ও শিশুটির মা জেলেখা বেগম খুব অসুস্থ। শিশুটি সবসময় শুধু কান্নাকাটি করছে।

উল্লেখ্য, শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে বুড়িরভিটা এলাকায় নিজ বাড়িতে মাথার পেছনে বড় একটি টিউমার নিয়ে জন্মগ্রহণ করে শিশুটি। ওই এলাকার এরশাদুল হক কোনা ও জেলেখা বেগম দম্পতির এটি তৃতীয় সন্তান। এরশাদুল হক কোনা ঢাকায় রিকসা চালান। টাকার অভাবে তিনি শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করাতে পারছিলেন না।

রওশন আলম পাপুল/এমএএস/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।