প্রচারণার শুরুতে বাধার মুখে বিএনপি প্রার্থী

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি শেরপুর
প্রকাশিত: ০৯:৪৩ পিএম, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮

শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতি) আসনে প্রচারণার শুরুতেই বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বাধাপ্রাপ্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

সোমবার প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর এ আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল শ্রীবরদীর খড়িয়া কাজির চর ইউনিয়নের লংগরপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে প্রথম নির্বাচনী পথসভা ডাকেন।

বিকেল ৩টায় এ পথসভা অনুষ্ঠানের আগে স্থানীয় যুবলীগের পক্ষে পাল্টা সভা আহ্বান করলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বেলা আড়াইটার দিকে সভাস্থলে অবস্থান নেয়।

পরে ধানের শীষের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে মিছিল আসতে শুরু করলে পুলিশ সেখানে সভা না করার নির্দেশ দেয়। এ অবস্থায় শীষের প্রার্থী তার দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে সভাস্থল ত্যাগ করেন।

শেরপুর-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পরপরই পূর্বনির্ধারিত শ্রীবরদীর খড়িয়া কাজিরচর ইউনিয়নের লঙ্গরপাড়া বাজার থেকে প্রচারণা শুরু করার জন্য নেতাকর্মীদের নিয়ে এক সমাবেশ ডাকি।

কিন্তু একই স্থানে স্থানীয় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে পৃথক সমাবেশের ঘোষণা দেয়ায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে প্রশাসন কাউকে সেখানে সমাবেশ করতে দেয়নি। সেখানে স্থানীয় যুবলীগ ও ছাত্রলীগকে দিয়ে পূর্বপরিকল্পনা মোতাবেক পাল্টা সভা ডেকে আমাদের প্রচারণায় বাধা দেয়া হয়েছে।

বিএনপি প্রার্থী রুবেল বলেন, কোন ইউনিয়নে কবে, কোথায়, কখন প্রচারণা চালাব আমি তা রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। সে মোতাবেক বিকেলে লঙ্গরপাড়া বাজারে সমাবেশ আহ্বান করি। কিন্তু যুবলীগ ও ছাত্রলীগকে দিয়ে সভা ডাকা হয়। আমার প্রচারণায় বাধা দিতে আরেকটি সভা আহ্বান করা হলো।

এ ব্যাপারে শ্রীবরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোতাহারুল ইসলাম লিটন বলেন, স্থানীয় যুবলীগ পূর্ব থেকেই সমাবেশ ডাকলেও ধানের শীষের প্রার্থী একই স্থানে সভা আহ্বান করেন। যে কারণে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে।

এ বিষয়ে শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার সেজুতি ধর বলেন, বিএনপি প্রার্থী রুবেল আমার কাছে একটি তালিকা দিয়েছেন। কিন্তু জেলায় মিটিং থাকায় আমি তা দেখিনি। একই স্থানে দুই দল সভা আহ্বান করায় আমরা উভয় দলকে সভা না করতে বলেছি।

শ্রীবরদী থানা পুলিশের ওসি মো. রুহুল আমিন তালুকদার বলেন, পুলিশ কারও কোনো সমাবশে কোনো ধরনের বাধা দেয়নি। দুই পক্ষকে সভা করতে নিষেধ করা হয়েছে।

হাকিম বাবুল/এএম/পিআর

আপনার মতামত লিখুন :