সোয়া লাখা টাকা বিল বকেয়া, বিদ্যুৎহীন রেজিস্ট্রার অফিস

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি চাঁদপুর
প্রকাশিত: ০২:০০ পিএম, ১০ জুলাই ২০১৯

চাঁদপুর জেলা রেজিস্ট্রার অফিসে গত দুই সপ্তাহ ধরে বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় ব্যাহত হচ্ছে এর স্বাভাবিক কার্যক্রম। গত ২৪ জুন চাঁদপুর বিদ্যুৎ অফিস কর্তৃক বকেয়া ও প্রিপ্রেইড সংযোজন না করার অভিযোগ এনে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এতে বিদ্যুৎ না থাকায় রেজিস্ট্রার ও সাব রেজিস্ট্রার অফিসের চলমান কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি করেছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

এদিকে রেজিস্ট্রার অফিসে গত দুই সপ্তাহ ধরে বিদ্যুৎ না থাকায় কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে রেজিস্ট্রার মসজিদ থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে চলছে পুরো কার্যক্রম। মসজিদের তার টেনে বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়া অবৈধ জেনেও সাধারণ মানুষের সেবার কথা চিন্তা করে এমনটি করা হয়েছে বলে জানায় কর্তৃপক্ষ।

তারা জানান, এখানে দৈনিক ৪ থেকে ৫ হাজার মানুষ সেবা নিতে আসেন, কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে মসজিদের বিদ্যুৎ সংযোগ সাময়িকভাবে নেয়া হয়েছে।

চাঁদপুর জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের অফিস সহকারী মো. গোলাম মোস্তফা জানান, জেলা রেজিস্ট্রার অফিসে বরাদ্দকৃত টাকা দিয়ে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে হয়। আমরা প্রতি বছর বরাদ্দের টাকা আসলে বিল পরিশোধ করে থাকি। এবার ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের জুন পর্যন্ত বকেয় বিল আটকে থাকে। বকেয়া বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ প্রসঙ্গে নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর আবেদন করেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত বকেয়া বিলের বরাদ্দকৃত টাকা আমরা পাইনি।

তিনি আরও জানান, ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের জুন মাস পর্যন্ত বকেয়া বিল ৯০ হাজার ৫২১ টাকা হয় এবং এ বছরের জুন পর্যন্ত বকেয়া বিল জমে থাকে ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৮ টাকা। আমরা বিদ্যুৎ অফিসে আবদেন করা সত্ত্বেও কোনো সময় না দিয়ে বকেয়া বিল ও প্রিপেইড মিটারের জন্য লাইন বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়েছে।

চাঁদপুর জেলা রেজিস্ট্রার মো. সেলিম মল্লিক বলেন, এটি সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অফিস। হুট করে কোনো নোটিশ ছাড়াই বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। তারা হঠাৎ এসে বকেয়া ও প্রিপেইড মিটার না থাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা পুরো বছরের বরাদ্দ এক সঙ্গে পেয়ে থাকি। বিদ্যুৎ অফিসে এ বিষয়ে আবেদন করা হয়েছে। আমরা আশা করছি আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে বরাদ্দকৃত টাকা পেয়ে যাব। তখন সকল সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

ইকরাম চৌধুরী/আরএআর/এমকেএইচ

আপনার মতামত লিখুন :