শনিবার গ্রেফতার হওয়া মিসবাহ রোববার বন্দুকযুদ্ধে নিহত

উপজেলা প্রতিনিধি উপজেলা প্রতিনিধি বিয়ানীবাজার (সিলেট)
প্রকাশিত: ০৪:৫৯ পিএম, ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯

সিলেটের বিয়ানীবাজারে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মিসবাহ উদ্দিন নামের একজন নিহত হয়েছেন। রোববার ভোরে উপজেলার শেওলা সেতু এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ বলছে নিহত ব্যক্তি সিলেট আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সরদার।

নিহত ডাকাত সরদার মিসবাহ উদ্দিন জেলার জকিগঞ্জ উপজেলার শরিফাবাদ এলাকার রোহার সাঙ্গন গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে। পুলিশ শনিবার তাকে জাফলং এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে বিয়ানীবাজার শিকারপুর এলাকায় ডাকাতির মামলা রয়েছে।

শনিবার প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে ডাকাতির কথা স্বীকার করে মিসবাহ এবং তার কাছে অস্ত্র রয়েছে বলে পুলিশকে জানায়। স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে পুলিশ অস্ত্র উদ্ধারে বিয়ানীবাজারের দুবাগের শেওলা সেতু সংলগ্ন এলাকায় মিসবাহকে নিয়ে গেলে আগে সেখানে থেকে ওৎ পেতে থাকা তার সহযোগিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে ঘটনাস্থলে ডাকাত মিসবাহ নিহত হন এবং অন্য ডাকাতরা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপগান, অত্যাধুনিক কাটার যন্ত্র ও প্রচুর রামদা উদ্ধার করে।

রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে সিলেট জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্য) মো. আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ডাকাত সরদার মিসবাহর বিরুদ্ধে বিয়ানীবাজার থানাসহ একাধিক থানায় ৮টি মামলা রয়েছে। ২টি অস্ত্র আইনে, একটি ডাকাতি প্রস্তুতি এবং ৫টি ডাকাতি মামলা রয়েছে বন্দুকযুদ্ধে নিহত মিসবাহ উদ্দিনের বিরুদ্ধে। সে বিয়ানীবাজার থানার শিকারপুর এলাকার ডাকাতি মামলার অন্যতম আসামি।

বিয়ানীবাজার থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) জাহিদুল হক জানান, অস্ত্র উদ্ধারে ডাকাত মিসবাহকে নিয়ে শেওলা সেতু এলাকায় অভিযানে গেলে সেখানে অবস্থান নেয়া একদল ডাকাত পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। পুলিশ পাল্টা গুলি ছুড়লে ডাকাতরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় আমাদের কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে ডাকাত মিসবাহ উদ্দিনের গুলিবিদ্ধ লাশ এবং আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে থানা পুলিশ। লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ছামির মাহমুদ/এমএএস/এমএস