ধরা পড়েনি পুলিশের ওসি-এসআইকে কোপানো সেই মুসা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক হবিগঞ্জ
প্রকাশিত: ০১:৩১ পিএম, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ পৌর এলাকায় তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি শাহ সোহান আহমেদ মুসার হামলায় ওসি (তদন্ত) ও এসআই আহত হওয়ার ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে। তবে এখনও পলাতক রয়েছে মুসা। তাকে গ্রেফতারে রাতভর অভিযান চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় শুক্রবার দুপুরে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নবীগঞ্জ শহরের সালামতপুর এলাকায় ব্র্যাক অফিসের কাছে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও একাধিক মামলার পলাতক আসামি খুর্শেদ মিয়ার ছেলে শাহ সোহান আহমেদ মুসাকে গ্রেফতার করতে তার দোকানে পুলিশ অভিযান চালায়। তাকে গ্রেফতার করতে চাইলে দোকান থেকে ধারালো একটি রামদা নিয়ে পুলিশের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন মুসা। একই সঙ্গে রামদা দিয়ে এলোপাতাড়ি পুলিশকে কোপাতে থাকেন। এ সময় তার রামদার কোপে পুলিশের ওসি (তদন্ত) উত্তম কুমার ও উপপরিদর্শক (এসআই) ফখরুজ্জামান রক্তাক্ত হন। পুলিশকে কুপিয়ে মুসা দ্রুত পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ কনস্টেবলদের আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে গুরুতর অবস্থায় ওসি (তদন্ত) উত্তম কুমারকে সিলেটে পাঠানো হয়।

এ ঘটনায় রাতেই অভিযান চালিয়ে পুলিশ মুসার মা শামছুন্নাহার, বোন মৌসুমী আক্তার, তান্নি আক্তার ও শাম্মি আক্তারকে আটক করে। মুসাকে আটক করতে রাতভর অভিযান চালানো হয়। সকাল থেকেও বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। এ ঘটনায় এসআই ফিরোজ আহম্মেদ বাদী হয়ে শুক্রবার দুপুরে মামলা করেছেন।

নবীগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন জানান, মুসা একজন তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী এবং ইয়াবা ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলায় পরোয়ানা রয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে অভিযান চালালে সে অতর্কিত হামলা চালায়। তাকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে। ইতোমধ্যে চারজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন/আরএআর/এমএস