বোতল দিয়ে পিটিয়ে ছাত্রলীগ কর্মীর মাথা ফাটালেন ছাত্রলীগ কর্মী

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকাশিত: ০৯:৫৬ পিএম, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই হলের ছাত্রলীগ কর্মীদের মধ্যে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এতে চার ছাত্রলীগ কর্মী আহত হয়েছেন।

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের সামনের সড়কে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ও শহীদ রফিক-জব্বার হলের কর্মীদের মধ্যে মারধরের এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় কাচের বোতলের আঘাতে সাব্বির হোসেন নাহিদ নামে এক ছাত্রলীগ কর্মীর মাথা ফেটে যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সাভারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত নাহিদ বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের ৪৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ও শহীদ রফিক জব্বার হলের আবাসিক ছাত্র। এ সময় ছাত্রলীগ কর্মী জোবায়ের আহমেদ, কামরুল হাসান শাওন, রাকিব, সোহেল রানা ও আহসান ফাহিম আহত হন। তারা সবাই শহীদ রফিক জব্বার হলের আবাসিক ছাত্র।

বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রের দায়িত্বরত চিকিৎসক রেজওয়ানুর রহমান বলেন, মারধরের ঘটনায় তিনজন চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের মধ্যে নাহিদের মাথার পেছনে গুরুতর জখম থাকায় তাকে এনাম মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) কোর্সে ভর্তি পরীক্ষা চলছিল। এ সময় একজন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীকে কেন্দ্রে পৌঁছে দেয়ার জন্য সিএসই ভবনের সামনে যান শহীদ রফিক জব্বার হলের ছাত্রলীগ কর্মী সাব্বির হোসেন নাহিদ। তখন ভবনের সামনে টাকার বিনিময়ে ব্যাগ, মোবাইল রাখার জন্য জবরদস্তি করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ও দর্শন বিভাগের ৪৬তম ব্যাচের ছাত্র জাকির হোসেন।

সাব্বির এ কাজের প্রতিবাদ জানালে জাকির তার সঙ্গে তর্কতর্কি করেন। পরে জাকির সাব্বিরকে চড়-থাপ্পড় দেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর রনি হোসাইন ও আকলিমা আক্তার তাদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। এরপর দুই হলের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে রফিক-জব্বার হলের কর্মীদের মারধর করে বঙ্গবন্ধু হলের নেতাকর্মীরা।

এদিকে, হামলার বিচার দাবি করে প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছে মারধরের শিকার ছাত্রলীগ কর্মীরা। তবে তাদের অভিযোগপত্র হাতে পাননি বলে জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসান।

আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, ঘটনার সময় প্রক্টরিয়াল টিমের দুজন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। আমরা শৃঙ্খলা কমিটির সভা ডেকেছি। যথাযথ প্রমাণ ও উপস্থিত সহকারী প্রক্টরদের তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।

এএম/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]