হাসপাতাল ছাড়লেন এসআই দেলুয়ার

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক ভৈরব (কিশোরগঞ্জ)
প্রকাশিত: ০৮:১৩ পিএম, ৩০ এপ্রিল ২০২০

ভৈরব থানা পুলিশের এসআই মো. দেলুয়ার হোসেন করোনামুক্ত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় কিশোরগঞ্জের সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা শেষে তিনি হাসপাতাল ত্যাগ করেন।

তার নমুনা পরীক্ষার পর গত ১৫ এপ্রিল পজিটিব রিপোর্ট আসে। এদিনই তাকে ওই মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। ১৫ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পর পর দুবার তার নমুনা পরীক্ষা করলে দুবারই নেগেটিভ রিপোর্ট এলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে সুস্থতার ছাড়পত্র দেয় বলে তিনি জানান।

এর আগে গত ২৮ এপ্রিল ভৈরব থানা পুলিশের অপর এসআই মো. চাঁন মিয়া ঢাকার কুর্মিটোলা হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হওয়ার পর রিলিজ হয়। তিনি (চাঁন মিয়া) গত ১২ এপ্রিল করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। ভৈরবে কাজ করতে গিয়ে এ পর্যন্ত ১১ জন পুলিশ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

এসআই দেলুয়ার হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি অফিসিয়াল কাজে গত ১৩ এপ্রিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়েছিলাম। এরপর জ্বর কাশি অনুভব করলে নমুনা দেই ১৪ এপ্রিল। তারপর ১৫ এপ্রিল পজিটিভ রিপোর্ট আসে। করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর অনেক ভয়ে ছিলাম। হাসপাতালে ১৫ দিন নিয়মিত ওষুধ সেবনসহ সব নিয়ম-কানুন পালন করেছি। এখন সুস্থ হয়ে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। ১০ দিন বাসায় বিশ্রাম নিতে বলেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।’

করোনার খবরে আমার পরিবারের সদস্যরা খুব চিন্তিত ছিলেন। আজ পরিবারের কাছে বাসায় চলে যাচ্ছি বলে জানান তিনি।

ভৈরবে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৪৩ জন। এদের মধ্য এসিল্যান্ড, ৮ জন ডাক্তারসহ স্বাস্থ্যকর্মী ২১ জন, ১১ জন পুলিশ এবং বাকিরা পারিবারিক।

ভৈরব থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহিন জানান, আক্রান্ত ১১ পুলিশের মধ্য এসআই দেলুয়ার ও চাঁন মিয়া সুস্থ হলো। বাকি নয়জন এখন হাসপাতালে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে। তারা আক্রান্ত হওয়ার পর ভৈরব থানা পুলিশের মধ্য আতঙ্ক বিরাজ করছিল। এখন আতঙ্কটা কেটে যাচ্ছে। জনগণের কাজ করতে গিয়েই পুলিশ সদস্যরা আক্রান্ত হয়েছে বলে জানান তিনি।

আসাদুজ্জামান ফারুক/এমএএস/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।