যেকোনো মুহূর্তে বিলীন হয়ে যাবে আশ্রয়ণ প্রকল্প

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কুড়িগ্রাম
প্রকাশিত: ০৮:০৩ পিএম, ০৪ জুন ২০২০

কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় দুস্থদের জন্য নির্মিত আশ্রয়ণ প্রকল্প ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনের মুখে পড়েছে। যেকোনো মুহূর্তে নদীতে বিলীন হয়ে যাবে এই আশ্রয়ণ প্রকল্প।

২০১৭-১৮ অর্থবছরে নির্মাণকৃত আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩০টি ব্যারাকের চারটি ব্যারাক গত বছর নদীগর্ভে চলে যায়। চলতি বছর নদীভাঙন তীব্র হলে আশ্রয়ণ প্রকল্পের তিনটি ব্যারাক সরিয়ে নেয় স্থানীয় প্রশাসন। বর্তমানে সেখানে ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতা চেয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

চিলমারী উপজেলার নয়ারহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু হানিফা রঞ্জু বলেন, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে চিলমারী উপজেলার নয়ারহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ খাউরিয়া প্রকল্প-২-এর অধীনে দেড়শ পরিবারের আশ্রয়ের জন্য ৩০টি ব্যারাক নির্মাণ করে দেয় সরকার। এজন্য ৫১৯ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয় মাটি ভরাটের জন্য। পরে কোটি টাকা ব্যয়ে সেখানে ৩০টি ব্যারাক নির্মাণ করে দেয়া হয়।

Kurigram

তিনি বলেন, ২০১৯ অর্থবছরে ব্যারাক হস্তান্তর করার পর সেখানে ১৫০টি পরিবার আশ্রয় নেয়। এক মাস পরই প্রথমে চারটি ব্যারাক ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে বিলীন হয়ে যায়। চলতি বছরের মে মাসে ভাঙনের মুখে সরিয়ে ফেলা হয় আরও তিনটি ব্যারাক। বর্তমানে এখানে ২১টি ব্যারাক রয়েছে। এসব ব্যারাকে বসবাস করছে ১০৫টি পরিবার।

চিলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ ডব্লিউ এম রায়হান শাহ বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্পটি গত বছর থেকে ভাঙনের মুখে। ভাঙন রোধে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছ থেকে সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম বলেন, ভাঙনকবলিত আশ্রয়কেন্দ্রটি দেখেছি। আপাতত ভাঙন ঠেকাতে কিছু জিওব্যাগ পাঠাচ্ছি। তবে বড় ধরনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়া এটি রক্ষা করা অসম্ভব। এজন্য বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।

নাজমুল/এএম/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]