টেকনাফে বিজিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক কারবারি নিহত

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কক্সবাজার
প্রকাশিত: ১২:২৮ পিএম, ১২ জুলাই ২০২০
ফাইল ছবি

কক্সবাজারের টেকনাফে বিজিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ইয়াবা কারবারি এক যুবক নিহত হয়েছেন। শনিবার (১১ জুলাই) মধ্যরাতে টেকনাফ স্থলবন্দর সংলগ্ন ১৪ নম্বর ব্রিজের নিকটবর্তী কেয়ারী খাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা, ১টি এলজি ও এক রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

নিহত সৈয়দ আলম (৩৫) টেকনাফ পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড এলাকার মো. সৈয়দ আহমদের ছেলে। বিজিবির দাবি সৈয়দ আলম চিহ্নিত মাদক কারবারি।

টেকনাফ ২ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান জানান, টেকনাফ স্থলবন্দর সংলগ্ন ১৪ নম্বর ব্রিজের নিকটবর্তী কেয়ারী খাল এলাকা দিয়ে ইয়াবার একটি বড় চালান মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে, এমন সংবাদে তাদের একটি বিশেষ টহলদল অবস্থান নেয়।

টহলদল দূর থেকে দুইজনকে খালের পাড়ে দেখে। কিছুক্ষণ পর এক ব্যক্তিকে নাফনদী সাঁতরিয়ে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেখে। তিনি খালের মুখে আসার সঙ্গে সঙ্গে আগে থেকে অপেক্ষমাণ দুই ব্যক্তি তার কাছে এগিয়ে যায়। এ সময় টহলদল চ্যালেঞ্জ করলে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে তারা। তাৎক্ষণিক টহলদলটি তাদের ধাওয়া করলে সশস্ত্র ইয়াবা কারবারিরা বিজিবি সদস্যদের উপর গুলি বর্ষণ করে। এ সময় বিজিবির টহলদলটি সরকারি সম্পদ এবং নিজেদের জানমাল রক্ষার্থে কৌশলগত অবস্থান নিয়ে পাল্টা গুলি বর্ষণ করে। ফলে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রায় ৩-৪ মিনিট গুলি বিনিময় হয়।

পরে সেখান থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক কারবারিকে উদ্ধার করা হয়। তাকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জরুরি চিকিৎসা শেষে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠান। সেখানে পৌঁছালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সৈয়দ আলম মিয়ানমার মন্ডু থানার বালুখালি গ্রামের বাসিন্দা। দীর্ঘ দিন ধরে তিনি টেকনাফ পৌর এলাকার নাইট্যংপাড়ায় বসবাস করে আসছেন। তার বিরুদ্ধে একাধিক মাদকের মামলা রয়েছে।

সায়ীদ আলমগীর/এফএ/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]