সিরাজগঞ্জে দুর্ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যু

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি সিরাজগঞ্জ
প্রকাশিত: ১০:০৯ পিএম, ১০ আগস্ট ২০২০
ফাইল ছবি

সিরাজগঞ্জের তিন উপজেলায় দুর্ঘটনায় বেসরকারি সংস্থা ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘের (টিএমএসএস) শাখা ব্যবস্থাপকসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) তাদের মৃত্যু হয়।

নিহতরা হলেন- বেলকুচি পৌর এলাকার দেলুয়া গ্রামের লাল চাঁন মন্ডলের ছেলে রফিকুল ইসলাম (৪০), নলকা বাজার এলাকার অটোভ্যান চালক জহুরুল ইসলামের ছেলে রানা সেখ (১৫) ও তাড়াশের দেশীগ্রাম ইউনিয়নের দুলিশ্বর গ্রামের তোজ্জামেল হকের ছেলে ফারুক তালুকদার (৩০)। তিনি ফরিদপুর জেলা সদরের টিএমএসএস’র শাখা ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

বেলকুচি থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) নুরে আলম বলেন, রোববার (৯ আগস্ট) বিকেলে ওষুধ কিনতে বের হন রফিকুল ইসলাম। এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। তার পরিবার অনেক খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান পায়নি। সোমবার সকালে বেলকুচি পৌর এলাকার চালা উত্তরপাড়া আঞ্চলিক সড়কে বন্যার পানিতে রফিকুল ইসলামের মরদেহ ভাসমান অবস্থায় দেখতে পায় এলাকাবাসী। স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ব্যাপারে থানায় ইউডি মামলা করা হয়েছে। নিহত রফিকুল ইসলাম মৃগী রোগী ছিলেন বলে তার পরিবার জানিয়েছেন।

সলঙ্গা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেড এম তাজুল হুদা জানান, সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কামারখন্দ উপজেলার নলকা ইউনিয়নের নলকা বাজার এলাকায় নিজ বাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রানা নামে (১৫) বছরের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। নিহত রানা সেখ নলকা বাজার এলাকার অটোভ্যান চালক জহুরুল ইসলামের ছেলে।

অপরদিকে গত বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সলঙ্গা থানার দবিরগঞ্জে ফারুক তালকদার বিয়ে করেন। পরে নববধূকে রোববার (৯ আগস্ট) সকালে শ্বশুরবাড়ি রেখে মোটরসাইকেলে করে কর্মস্থল রাজবাড়ীতে যাওয়ার পথে নাটোরের বনপাড়ায় একটি ট্রাক তাকে ধাক্কা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার বিকেল ৫টার দিকে তিনি মারা যান।

ইউসুফ দেওয়ান রাজু/আরএআর/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]