পাবনায় খাদ্য উৎপাদনকারী দুটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান
পাবনায় দুটি খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে মঙ্গলবার (১৮ আগষ্ট) দুপুরে অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেভ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ ও খন্দকার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ নামে এ দুটি প্রতিষ্ঠান নিম্নমানের খাদ্য সামগ্রী উৎপাদন করে আসছিল।
প্রতিষ্ঠান দুটি তাদের কোনো বৈধ কাগজপত্রও দেখাতে পারেনি। ভ্রাম্যমাণ আদালত এ দুটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, পাবনা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বায়েজীদ-বিন-আখন্দ’র নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রথমে পাবনা সদর উপজেলার শহরতলীর আরিফপুর সেভ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ-এ অভিযান চালান। সেখানে নিম্নমানের খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করতে দেখেন আদালত। নিম্নমানের খাদ্যপণ্য উৎপাদনের দায়ে কোম্পানির মালিক বাচ্চু মিয়া ওরফে পাখিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ভ্রাম্যমাণ আদালত এরপর আরিফপুর রিভার সাইড এলাকার খন্দকার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ কোম্পানিতে অভিযান পরিচালনা করেন। সেখানে খন্দকার ফুডের মালিক রফিকুল আলম তার কোম্পানির কোনো বৈধ অনুমোদনের কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। আদালত বিএসটিআই এর ৩১ ধারায় ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বায়েজীদ-বিন-আখন্দ চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে বলেন, এ ধরনের ভেজাল ও নিম্নমানের খাদ্যসামগ্রী মানব দেহে মারাত্নক ক্ষতি সাধন করে। ক্ষেত্র বিশেষে কিডনি, লিভার, ফুসফুস, হার্টকে বিকল করে দেয়।
তিনি বলেন, ভেজাল খাদ্যপণ্য উৎপাদকরা যত প্রভাবশালী হোক না কেন পাবনায় এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অভিযান পরিচালনার সময় তার সাথে ছিলেন বিএসটিআই, রাজশাহী কার্যালয়ের ফিল্ড অফিসার আমিনুল ইসলাম ও পাবনা সদর থানার পুলিশ ফোর্স।
এমএএস/এমকেএইচ