দিনভর অভিযানেও সন্ধান মেলেনি পদ্মায় নিখোঁজ ২ কৃষকের

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি পাবনা
প্রকাশিত: ০১:৪২ এএম, ২৩ অক্টোবর ২০২০

পদ্মা নদীতে নৌকাডুবিতে নিখোঁজ দুই কৃষকের সন্ধান পায়নি ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দিনভর বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে ডুবুরি দল অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধারে ব্যর্থ হন।

বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পাবনা সদর উপজেলার চরতাঁরাপুর ইউনিয়নের বাহিরচর গোরস্থান সংলগ্ন পদ্মা নদীতে এ নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। এ সময় সদর উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের সাদুল্লাপুর গ্রামের শুকুর হোসেন (৪৫) ও তোফাজ্জল হোসেন (৫০) নিখোঁজ হন।

সুজানগর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার সাব্বির আহমেদ জানান, ঘটনার দিন বুধবার স্থানীয়দের সহায়তায় রাত ১২টা পর্যন্ত খোঁজাখুঁজি করেও নিখোঁজ দুই কৃষকের সন্ধান পাওয়া যায়নি।

তিনি জানান, পাবনায় ডুবুরি না থাকায় ডুবুরির জন্য রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়া হয়। রাজশাহী থেকে আসা দুইজন ডুবুরি এবং একজন টিমলিডার, সুজানগরের ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জসহ দুজন ফায়ারকর্মী বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। নিখোঁজদের স্বজন ও স্থানীয় কিছু লোকও নৌকা নিয়ে উদ্ধার অভিযানে অংশ নেন।

সাব্বির আহমেদ জানান, দিনভর বৃষ্টি ছিল। বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাসে নদীর মধ্যে তাদের অভিযান পরিচালনা করা দুরূহ হয়ে পড়ে। তারপরও বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে তারা সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চেষ্টা চালান। কিন্তু ডুবন্ত ও ভাসমান কোনো অবস্থায়ই নিখোঁজ দুজনের সন্ধান মেলেনি। ডুবুরিদের ধারণা ওই দুই কৃষকের সলিল সমাধি হয়েছে।

চরতাঁরাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম টুটুল বৃহস্পতিবার রাতে জানান, স্থানীয় জনসাধারণ, জনপ্রতিনিধি ও ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তাদের যৌথ সিদ্ধান্তে সন্ধ্যা ৬টায় অভিযান সমাপ্ত করেছেন ডুবুরিরা।

উল্লেখ্য, আগাম জাতের পেঁয়াজ লাগানোর জন্য চরতাঁরাপুর থেকে ৫০/৬০ জন শ্রমিক পদ্মা পাড়ি দিয়ে বাহিরচরে কাজ করতে গিয়েছিলেন। কাজ শেষে ৪০-৫০ জন শ্রমিক একটি নৌকাযোগে বুধবার সন্ধ্যায় বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। নৌকাটি বাহিরচর গোরস্থান সংলগ্ন মাঝপদ্মায় এসে ডুবে যায়। প্রায় সবাই সাঁতরে পাড়ে উঠতে পারলেও শুকুর ও তোফাজ্জল নামের দুজন নিখোঁজ হন

বিএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।