সাড়ে তিন হাজার পরিবার পাচ্ছে সুপেয় পানি

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি গোপালগঞ্জ
প্রকাশিত: ০৬:১৯ পিএম, ২৪ জানুয়ারি ২০২১

গোপালগঞ্জে সুপেয় পানি সরবরাহে স্থাপিত হয়েছে দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট। জেলার টুঙ্গিপাড়া উপজেলার কুশলি ও পাটগাতী ইউনিয়নে স্থাপিত ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট থেকে তিন হাজার পরিবারকে সুপেয় পানি সরবরাহ সম্ভব বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ।

স্থানীয়রা জানায়, এ অঞ্চলে গরমে খাল ও নদীর পানি কমে যাওয়া, ভৌগোলিক কারণে গভীর নলকূপ স্থাপনে বাধা ও অগভীর নলকূপের পানিতে আয়রণ ও আর্সেনিক বেশি থাকায় সুপেয় পানির সংকট দেখা দেয়। এ পানি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন উপজেলার পাটগাতী ও কুশলী ইউনিয়নসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের বাসিন্দারা। ফলে ডায়রিয়া, আমাশয়, টাইফয়েডসহ নানা পানিবাহিত রোগে ভোগে এখানকার মানুষ।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর এ অঞ্চলে নিরাপদ পানি সরবরাহে প্রকল্প গ্রহণ করে। গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় ১৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট স্থাপন করে অধিদফতর।

jagonews24

গোপালগঞ্জ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক চন্দ্র তালুকদার বলেন, শুধু পাটগাতিতে স্থাপিত ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টে ঘণ্টায় ১ লাখ ৫০ হাজার লিটার পানি উত্তোলন করা হয়। এটি দিয়ে এলাকার ২ হাজার পরিবারকে সুপেয় পানি সরবরাহ করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, কুশলী ওয়াটার প্লান্টের কাজ শেষ হয়েছে, যা জানুয়ারি থেকে পানি সরবরাহে কাজ করবে। প্লান্টটি চালু হলে ঘণ্টায় ৫০ হাজার লিটার পানি উৎপাদন করে পাশের কুশলী ও বর্ণি ইউনিয়নের ১ হাজার ৫০০ পরিবারে সরবরাহ করা হবে।

পর্যায়ক্রমে গোপালগঞ্জ সদর, কোটালীপাড়া, কাশিয়ানী ও মুকসুদপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এ ধরনের প্লান্ট স্থাপন করা হবে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

সুকান্ত সরকার/ আরএইচ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]