কীটনাশক দিয়ে ধানের চারা পুড়িয়ে দিল দুর্বৃত্তরা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নওগাঁ
প্রকাশিত: ০৩:৩৩ এএম, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১

নওগাঁর ধামইরহাটে প্রায় দেড় একর জমির বোরো ধানের চারা বিষাক্ত কীটনাশক দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বত্তরা। উপজেলার উমার ইউনিয়নের চৌঘাট কাগজকুটা নামক এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী কৃষক আহাদুল ইসলাম সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও কৃষি কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ করেছেন।

জানা গেছে, উপজেলার চৌঘাট এলাকার মহাসীন মন্ডলের ছেলে আহাদুল ইসলাম ও পার্শ্ববতী আলমপুর ইউনিয়নের বীরগ্রাম এলাকার মৃত নায়েব আলীর ছেলে এনামুল ইসলামের মাঝে দীর্ঘদিন থেকে জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ চলছিল। তারই প্রেক্ষিতে গত ২১ ফেব্রুয়ারি কয়েকজন মিলে দেড় একর জমিতে বিষাক্ত কীটনাশক প্রয়োগ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে ধানের চারাগুলো হলুদ হয়ে বিবর্ণ রং ধারণ করেছে। এতে ওই কৃষকের প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী কৃষক আহাদুল ইসলাম বলেন, ওই জমি প্রায় ৫০ বছর ধরে ভোগদখল করে আসছি। প্রতিপক্ষ আমাদের জমি বর্গাচাষ করত। এক পর্যায়ে তারা জাল দলিল তৈরি করে নিজের জমি বলে দাবি করে। এ নিয়ে গত কয়েক বছর থেকে বিরোধ চলে আসছে। প্রতিপক্ষ আমার ক্ষতি করতে জমিতে কীটনাশক ছিটিয়ে ধানের চারা পুড়িয়ে দিয়েছে। এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’

এ বিষয়ে অভিযুক্ত এনামুল ইসলাম বলেন, ‘১৯৭২ সালে আমরা ওই জমি কিনেছি। গত সাত বছর জমিতে চাষাবাদ করেছি। কিন্তু মালিকানা নিয়ে বিরোধ থাকায় এ বছর চাষাবাদ করতে গেলে তারা বিভিন্নভাবে বাধা দেয়। এতে আমরা জমি থেকে সরে আসি। তবে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জমি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। জমিতে কীটনাশক দেয়ার অভিযোগটি ভিত্তিহীন।’

ধামইরহাট উপজেলা কৃষি অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) আসাদুজ্জামান বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে পরামর্শ নিতে ভুক্তভোগী কৃষক সোমবার আমার কাছে এসেছিলেন। সার্বিক বিষয়টি তুলে ধরে তাকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছি। একজন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থল পরির্দশনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

আব্বাস আলী/এমএইচআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]