সেই রেজাউলের সহযোগিতায় এগিয়ে এলেন প্রবাসী

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি পাবনা
প্রকাশিত: ০৫:১৩ পিএম, ০৫ মার্চ ২০২১

বিরল রোগে আক্রান্ত ও ১৮টি ইংরেজি অভিধান মুখস্থ-কারী রেজাউলের সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছেন আমেরিকান প্রবাসীসহ বেশ কয়েকজন হৃদয়বান মানুষ। তারা রেজাউলের এক বছরের খবারিসহ নগদ অর্থ তুলে দেন।

গত ১৫ ফেব্রুয়ারি জাগো নিউজে ‘১৮টি ইংরেজি অভিধান মুখস্থ-কারী রেজাউলের দিন কাটে না খেয়ে’ শীর্ষক একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পর থেকে দেশ-দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তাকে সহযোগিতা করার জন্য যোগাযোগ শুরু হয়।

এক আমেরিকান প্রবাসী জাগো নিউজের পাবনা প্রতিনিধি আমিন ইসলামের সাথে যোগাযোগ করে এক বছরের খাবার বাবদ ২০ হাজার টাকা, আলমগির হোসেনে নামের একজন দুই হাজার ও এস-এম সাদিকর রহমান নামে এক ব্যক্তি এক হাজার টাকা সহযোগিতা করেন।

এদিকে রাজধানী ঢাকার এ-ওয়ান একাডেমীর পরিচালক এস-এম সাদিকর রহমান মোবাইল ফোনে রেজা-উল ইসলামকে ঢাকায় নিয়ে রাখার প্রস্তাব দিলে তিনি তাতে রাজি হননি। পরে তিনি প্রত্যেক মাসে রেজাউলকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

jagonews24

রেজাউল ইসলাম বলেন, ‘শারীরিক ও মানসিক অবস্থার কারণেই ঢাকা থাকতে অসমর্থ হই। চরম দুর্দিনে পাশে দাঁড়ানোর জন্য তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

রেজাউল ইসলাম পাবনার বেড়া উপজেলার নতুন ভারেঙ্গা গ্রামের ছেলে। তিনি ১৯৮৫ সালে ধোবাখোলা করোনেশন (নাটিয়াবাড়ি) উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ঢাকার সরকারি তিতুমীর কলেজ থেকে ১৯৮৭ সালে প্রথম বিভাগে এইচএসসি পাস করেন।

রেজাউল অক্সফোর্ডসহ একে একে বিশ্বের ১৮টি ইংরেজি ভাষার অভিধান ও গ্রামার আয়ত্ত করেন। তার পঠিত অভিধান ও গ্রামারের তালিকায় রয়েছে- অর্নামেন্টাল, ফেদম, ওয়েবস্টারস, কেপিলার্স, আলেকজান্ডার, এলনস, টমাস, ও’লেনস, থ্রিচার্স, মার্টিনস, জেসি নেসফিল্ডস, ওকেন্স, ওয়েল ফক্স, চেম্বারস, কেমব্রিজ ও অক্সফোর্ড। এছাড়া তিনি বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক লেক্সিকন পড়েছেন।

আমিন ইসলাম/আরএইচ/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]