শঙ্খ বাজিয়ে মোদিকে বরণে প্রস্তুত ওড়াকান্দি

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি গোপালগঞ্জ
প্রকাশিত: ০৩:০৪ পিএম, ১২ মার্চ ২০২১

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী আর স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ২৬ মার্চ ঢাকা আসবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

সফরের পরের দিন ২৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে টুঙ্গিপাড়ায় যাবেন মোদি। এরপর সেদিনই মতুয়া সম্প্রদায়ভুক্ত হিন্দুদের পবিত্র তীর্থস্থান কাশিয়ানী উপজেলার শ্রীধাম ওড়াকান্দি গ্রামের ঠাকুর বাড়িতেও তিনি যেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সেটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে ঠাকুর বাড়ির একাধিক সদস্য জাগো নিউজকে জানিয়েছেন।

তবে তারা মোদির আগমনের বিষয়টিকে একবারে উড়িয়ে দেননি। ইতিমধ্যে ওড়াকান্দির ঠাকুর বাড়িতে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতাসহ নানা কাজ শুরু হয়েছে।

jagonews24

ঠাকুর বাড়ির সদস্য পদ্মনাভ ঠাকুর জানিয়েছেন, নরেন্দ্র মোদি যদি ওড়াকান্দি ঠাকুর বাড়িতে আসেন তাহলে হেলিকপ্টার যোগে ঠাকুর বাড়ির পাশেই একটি মাঠে নামবেন। পরে ঠাকুর বাড়িতে অবস্থিত হরি চাঁদ-গুরুচাঁদ ঠাকুরের মন্দিরে তিনি পূজা করে মন্দিরের সামনেই ঠাকুর বাড়ির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং পাশের আরেকটি মাঠে তিন শতাধিক নির্ধারিত মঁতুয়া নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

ঠাকুর বাড়ির সদস্য ও কাশিয়ানী উপজেলা চেয়ারম্যান সুব্রত ঠাকুর জাগো নিউজকে জানান, সম্প্রতি ভারতীয় হাইকমিশনের একটি প্রতিনিধি দল ওড়াকান্দি পরিদর্শন করেছেন। এছাড়া বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন সার্বক্ষণিকভাবে ঠাকুর বাড়িতে নজর রাখছেন। তবে এখনো চূড়ান্তভাবে কিছুই জানানো হয়নি- বলেন তিনি।

jagonews24

যদিও নরেন্দ্র মোদির সম্ভাব্য আগমন উপলক্ষে তারা তাদের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন এবং তাকে যাতে যথাযথ সম্মানের সঙ্গে বরণ করা যায় সে প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বাংলাদেশ মতুঁয়া মহাসংঘের মহাসংঘাতিপতি (সভাপতি) সীমা দেবী ঠাকুর জানান, ভারতের প্রধানমন্ত্রী আমাদের ঠাকুর বাড়িতে আসছেন এটা শুধু ঠাকুর বাড়ির গর্বের বিষয় নয়, সমস্ত মতুঁয়াদের কাছে গর্বের বিষয়। মোদি আসলে আমরা হিন্দু ধর্মীও মতে উলু ধ্বনী, শঙ্খ এবং ঢাক-ঢোল বাজিয়ে তাকে স্বাগত জানানোর সব ব্যবস্থা করে রেখেছি।

এএইচ/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।