বগুড়ায় আবারও সর্বহারা আতঙ্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক বগুড়া
প্রকাশিত: ০২:৪৬ পিএম, ২৪ মার্চ ২০২১

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার সিমলা বাজারে নিষিদ্ধ ঘোষিত পূর্ব বাংলা সর্বহারা পার্টির নামে পোস্টার লাগানো হয়েছে। দীর্ঘ ২০ বছর পর পোস্টার লাগিয়ে ও পটকা ফুটিয়ে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিল তারা। মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে নন্দীগ্রাম সদর ইউনিয়নের সিমলা বাজারে এ ঘটনা ঘটেছে।

এর আগে ১৯৯৯ সালে আত্রায় উপজেলার মনিহারি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুস ছাত্তারকে পন্ডিতপুকুর বাজারে প্রকাশ্যে হত্যা করে সর্বহারা পার্টির সদস্যরা। এরপর তারা আর প্রকাশ্যে আসেনি। দীর্ঘদিন পর সর্বহারা পার্টির পোস্টার দেখে এলাকার মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, নন্দীগ্রাম শহর থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার দূরে সিমলা বাজারে নিষিদ্ধ ঘোষিত পূর্ব বাংলা সর্বহারা পার্টির নামে দেয়ালে দেয়ালে পোস্টার লাগানো হয়। সিমলা বাজারের বিভিন্ন দোকানে দেয়ালে এ পোস্টারগুলো দেখা যায়। এই পোস্টারে নরেদ্র মোদীর বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধের আহ্বানসহ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালনে গণবিরোধী কর্মসূচি প্রতিহত করার কথা বলা হয়।

এরআগে ১৯৯৯ সালে নওগাঁ জেলার আত্রায় উপজেলার মনিহারি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুস ছাত্তারকে নন্দীগ্রামের পন্ডিতপুকুর বাজারে প্রকাশ্যে হত্যা করেন সর্বহারা সদস্যরা। এছাড়া ২০০১ সালের দিকে ভাটরা ইউনিয়নে বিভিন্ন জায়গায় নিষিদ্ধ ঘোষিত পূর্ব বাংলা সর্বহারা পার্টির নামে পোস্টার সাঁটানো হয়। তারপর থেকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি।

সিমলা বাজারের নৈশপ্রহরী চাঁন মিয়া ও ওসমান আলী বলেন, রাত দেড়টার দিকে ৫ জন মুখোশ পরে বাজারে এসে সর্বহারা পরিচয় দেয়। তারা আমাদের চুপ করে বসে থাকতে বলে। এ সময় তারা আধাঘণ্টা ধরে বিভিন্ন দোকানের দেয়ালে পোস্টার সাঁটিয়ে চলে যায়।

ভাটরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোরশেদুল বারী বলেন, দীর্ঘদিন আগে নন্দীগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় পূর্ব বাংলা সর্বহারা পার্টির পোস্টার দেখা গেছে।

নন্দীগ্রাম থানার ওসি মো. কামরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি শুনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে। জনগণের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

এফএ/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।