অজ্ঞানপার্টির দেয়া কোমল পানীয় খেয়ে শ্রমিকের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক বগুড়া
প্রকাশিত: ০২:০১ পিএম, ০৮ এপ্রিল ২০২১

অজ্ঞানপার্টির খপ্পরে পড়ে বগুড়ার আদমদীঘিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অজ্ঞাত (৪১) এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ৪ শ্র্রমিককে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে নেয়া হয়। বুধবার সন্ধ্যায় অজ্ঞাত ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়।

জানা গেছে, টাঙ্গাইল থেকে ট্রাকযোগে কুড়িগ্রামে বাড়িতে ফেরার পথে চার শ্রমিক অজ্ঞানপাটির খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব হারিয়েছেন। বুধবার সকালে তাদের অচেতন অবস্থায় বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের আদমদীঘির ঢাকারোড নামক স্থান থেকে পুলিশ উদ্ধার করে আদমদীঘি হাসপাতালে ভর্তি করে।

এদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সন্ধ্যায় অজ্ঞাত (৪১) এক শ্রমিক মারা যান। অপর তিন জন বর্তমানে সুস্থ রয়েছেসন।

তারা হলেন- নিলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার নিজসুন্দরপাকা গ্রামের মামিনুল ইষলামের ছেলে তবিবুর (১৮), কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ি উপজেলার আরজি নিউওয়াশি ফরে উদ্দিনের ছেলে নুর হোসেন (৩৫) ও একই জায়গার দাবিছড়া গ্রামের মতিয়ার রহমান (৪৬)।

আদমদীঘি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তবিবুর রহমান জানান, মঙ্গলবার রাতে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর এলাকায় একটি সিমেন্টবোঝাই ট্রাকে অচেনা এক ব্যক্তিসহ আমরা চার শ্রমিক বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিই। পথিমধ্যে সিরাজগঞ্জের পাপিয়া হোটেলে রাতের খাবার খাওয়ার পর অচেনা ওই ব্যক্তি ৪ শ্রমিককে কোমল পানীয় খাওয়ান।

এরপর তারা ট্রাকে ওঠার পর অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাদের কাছে থাকে ৪টি মোবাইল ফোন ও ১০ হাজার টাকা নিয়ে নেয়। বুধবার সকালে আদমদীঘির ঢাকারোড নামক স্থানে সড়কের পাশে তাদের ফেলে রেখে ট্রাকটি পালিয়ে যায়।

অচেতন অবস্থায় চার শ্রমিককে জনতা পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দিলে তাদের উদ্ধার করে আদমদীঘি হাসপাতালে ভর্তি করায় পুলিশ। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় চারজনের মধ্যে অজ্ঞাত ব্যক্তিটি মারা যান। তার বাড়ি গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলায় বলে জানা গেছে।

আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দীন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ব্যাপারে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

এফএ/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]