করোনাকালেও কাজ করে চলেছেন নোয়াখালীর চার নারী ইউএনও

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নোয়াখালী
প্রকাশিত: ০৩:১৪ পিএম, ১৮ এপ্রিল ২০২১

করোনাকালে উপকূলীয় জেলা নোয়াখালীর চার নারী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) কাজে সন্তুষ্ট এলাকাবাসী। পুরুষ সহকর্মীদের পাশাপাশি মানুষকে নিরাপদ রাখতে সমানতালে কাজ করে চলেছেন তারা।

কিংবদন্তি এই চার নারী ইউএনও হলেন- সোনাইমুড়ী উপজেলায় টিনা পাল (ব্যাচ-৩০)। তিনি ২০১৮ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি যোগদান করেন। বেগমগঞ্জ উপজেলার শামছুন নাহার (ব্যাচ-৩১)। তিনি ২০২০ সালের ১৯ জুলাই যোগদান করেন। সদর উপজেলার ফারহানা জাহান উপমা (ব্যাচ-৩১)। তিনি ২০২০ সালের ১৮ আগস্ট যোগদান করেন ও কবিরহাট উপজেলার হাসিনা আক্তার (ব্যাচ-৩৩)। তিনি চলতি মাসের ৬ এপ্রিল যোগদান করেন।

সোনাইমুড়ীর ইউএনও টিনা পাল বলেন, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক কাজগুলো সময়মতো শেষ করা ও জনকল্যাণমুখী কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখার চেষ্টা করি।

বেগমগঞ্জের ইউএনও শামছুন নাহার বলেন, জেলার গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা ও প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র চৌমুহনীতে কাজ করতে কোনো সমস্যা হচ্ছে না। ডিসি মহোদয় সবসময় খোঁজ খবর রাখেন বলেও জানান তিনি।

সদর উপজেলার ইউএনও ফারহানা জাহান উপমা বলেন, নারী-পুরুষ ভেদাভেদ নেই। নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনে সবসময় চেষ্টা করি।

এছাড়া কবিরহাটের ইউএনও হাসিনা আক্তার বলেন, করোনাকালে কাজ করতে গিয়ে জনগণের বেশ সহযোগিতা পাচ্ছি। সবাইকে সচেতন করার জন্য প্রতিনিয়ত কাজ করছি।

সোনাইমুড়ী বাজারের আমির হোসেন নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, ইউএনও আপা অনেক ভালো মানুষ। আমাকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে বলে একটা মাস্কও দিয়ে গেছেন।

বেগমগঞ্জের এনজিও কর্মকর্তা আবদুর রহীম বলেন, এখানকার সন্ত্রাস, মাদক নির্মূলসহ জননিরাপত্তায় ভালো কাজ করছেন নারী ইউএনও শামছুন নাহার।

নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান জাগো নিউজকে বলেন, ৯ উপজেলার সবাই ভালো কাজ করছেন। পাশাপাশি নারী সহকর্মী হিসেবে তারা চারজনও প্রশংসনীয় কাজ করছেন। তিনি সমগ্র জেলায় জনগণের কল্যাণে কাজ করতে মিডিয়াকর্মীসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

এফএ/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]