চার বছর ধরে ভাঙা ব্রিজ, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি টাঙ্গাইল
প্রকাশিত: ১২:২৯ পিএম, ১১ জুন ২০২১

টাঙ্গাইলের নোয়াই নদীর ওপর নির্মিত ব্রিজ ভেঙে পড়ায় চার বছর ধরে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। শুষ্ক মৌসুমে শুকিয়ে যাওয়া নদীতে বিকল্প রাস্তা তৈরি করে চলাচল করলেও বর্ষায়ই চরম ভোগান্তিতে পড়েন তারা।

স্থানীয়রা জানান, নোয়াই নদীর নাগরপুর উপজেলার বিহালী খামার গ্রামে নির্মিত ব্রিজটির উত্তর পাশের মাটি সরে একটি গার্ডার ভেঙে পানিতে পড়ে যায়। ভেঙে যায়। দীর্ঘদিনেও সংস্কার না হওয়ায় ব্রিজের পিলারগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এ ব্রিজের ওপর দিয়ে উপজেলার বিহালী খামার, জাঙ্গালিয়া, সিংদাইর, কাশিনারাসহ আশপাশের কয়েক গ্রামের মানুষ চলাচল করতেন।

jagonews24

বিহালী খামার গ্রামের মাসুদ রানা, আব্দুর রহমান, গোলজার হোসেনসহ বেশ কয়েকজন বলেন, ব্রিজটি নির্মাণের পর ৬-৭ বছর পারাপারের উপযুক্ত ছিল। ২০১৭ সালের বর্ষায় প্রথমে সেতুর উত্তর পাশের একটি অংশ সামান্য দেবে যায়। স্থানীয়রা দাবি জানালেও কর্তৃপক্ষ তা মেরামত করেননি। পরের বছর বর্ষায় ভিমসহ ব্রিজের মধ্যাংশ নদীতে দেবে যায়। ২০১৯ সাল থেকে প্রতি বর্ষায় এক বাঁশের সাঁকো ও শুকনা মৌসুমে চলাচলের জন্য নদীর বুকে রাস্তা তৈরি করে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

কাশিনারা গ্রামের শাহ আলম, রহিম মিয়া কালাচাদ মিয়া বলেন, ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ায় আশপাশের ছয় গ্রামের মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। শত শত কৃষক তাদের উৎপাদিত ফসল বাজারে ওঠাতে না পেরে কম মূল্যে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।

jagonews24

বিহালী খামার গ্রামের ইউপি সদস্য মো. মুসলেম উদ্দিন বলেন, ব্রিজটি সংস্কারের জন্য দীর্ঘদিন ধরে এলজিইডির বারান্দায় ঘুরেও কোনো সুফল পাইনি। বার বার অভিযোগ ও প্রতিকার চাইলেও তারা কোন সমাধান দিতে পারেনি।

নাগরপুর উপজেলা প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান বলেন, ২০০৮ সালে ভাদ্রা-বিহালী খামার সড়কে নোয়াই নদীর উপর নির্মিত ব্রিজটি ২০১৭ সালের বন্যায় ভেঙে যায়। ব্রিজটি সংস্কারের সুযোগ নেই। এটি অপসারণ করে নতুন ব্রিজ নির্মাণের প্রস্তাব পাঠানো হবে।

আরিফ উর রহমান টগর/আরএইচ/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]