এজাহারে কাদের মির্জার নাম, ৩ দিনেও মামলা নেয়নি পুলিশ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নোয়াখালী
প্রকাশিত: ০৮:২৫ পিএম, ১৪ জুন ২০২১

মেয়র আবদুল কাদের মির্জাকে আসামি করায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের ওপর হামলা ও হত্যাচেষ্টা মামলা তিন দিনেও নেয়নি পুলিশ।

সোমবার (১৪ জুন) সন্ধ্যা ৭টায় এমন অভিযোগ করেন মামলার বাদী বসুরহাট সরকারি মুজিব কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হাসিব আহসান আলাল।

তিনি বলেন, শনিবার (১২ জুন) সকালে বসুরহাট বাজারে প্রকাশ্য দিবালোকে আমি ও মিজানুর রহমান বাদলকে কাদের মির্জা লোকজন নিয়ে হামলা করে আহত করেন। ওই ঘটনায় শনিবার রাতেই এজাহার দিলেও কাদের মির্জার নাম থাকায় পুলিশ এখনো মামলা রেকর্ড করেনি।

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, কাদের মির্জার অনুসারী শহিদ উল্যাহ রাসেলকে প্রধান আসামি করা হলেও বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জাকে ৫ নম্বর, তার ছেলে মির্জা মাশরুর কাদের তাশিকে ১১ নম্বর ও ভাই শাহাদাত হোসেনকে ৬ নম্বরসহ ১৫৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। এরা সবাই কাদের মির্জার অনুসারী।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুদ্দিন আনোয়ার এজাহার প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এতে কিছু ত্রুটি থাকায় তা সংশোধন করে দিতে বলা হয়েছে।

ওই ত্রুটি কাদের মির্জার নাম থাকা কি-না জানতে চাইলে কোনো সদুত্তর না দিয় তিনি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) শামিম কবীরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।

এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আলমগীর হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, এজাহারে আসামির তালিকা দীর্ঘ হওয়ায় বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রসঙ্গত, গত শনিবার (১২ জুন) সকাল ৯টা ১০ মিনিটে বসুরহাট ইসলামী ব্যাংকের সামনে কাদের মির্জার নেতৃত্বে প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে তার গাড়ি ভাঙচুর ও সঙ্গে থাকা সাবেক ছাত্রনেতা আলালও আহত হন। গুরুতর আহত বাদলকে ঢাকা ট্রমা সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।

আরএইচ/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।