কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে শ্যালিকা-দুলাভাইয়ের মৃত্যু
বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শ্যালিকা ও দুলাভাই এক সপ্তাহের বেশি সময় চিকিৎসাধীন থাকার পর মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুজনই মারা গেছেন। গত সোমবার (৩০ আগস্ট) ঢাকার একটি হাসপাতালে তাদের মৃত্যু হয়।
নিহতরা হলেন, শাজাহানপুর উপজেলার মাঝিড়া ইউনিয়নের দারিকামাড়িপাড়া গ্রামের আবু বকর সিদ্দিকের মেয়ে জান্নাতী ফেরদৌস মাওয়া (১৩) এবং মেয়ে জামাতা ধুনট উপজেলার ঢেকুরিয়া গ্রামের গোলাম হোসেনের ছেলে বিপ্লব হোসেন ওরফে রিপন (৩৫)।
নিহতের স্বজনেরা জাগো নিউজকে জানিয়েছেন, ফুপাতো বোনের বিয়ের দাওয়াতে যাওয়ার জন্য জান্নাতী ফেরদৌস মাওয়া বড়বোনের স্বামী (দুলাভাই) বিপ্লব হোসেনের সঙ্গে গত ২৩ আগস্ট বগুড়া শহরে কেনাকাটা করতে যান। সন্ধ্যায় সিএনজিচালিত অটোটেম্পুযোগে বাড়ি ফিরছিলেন তারা। পথে উপজেলার সাজাপুর রাধারঘাট এলাকায় ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে একই দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী ট্রাক পেছন দিক থেকে অটোটেম্পুকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এসময় অটোটেম্পুটি ছিটকে পড়লে জান্নাতী ও বিপ্লব দুজনই গুরুতর আহত হন।
এরপর আহত অবস্থায় প্রথমে তাদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে জান্নাতীতে ও পরে বিপ্লব হোসেনকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিপ্লব কিছুটা আশঙ্কামুক্ত হলেও জান্নাতীর অবস্থার উন্নতি হচ্ছিল না।
এ অবস্থায় এক সপ্তাহেরও বেশি সময় চিকিৎসাধীন থাকার পর গত সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে প্রথমে শ্যালিকা জান্নাতী এবং এর কয়েক ঘণ্টা পর সন্ধ্যার দিকে দুলাভাই বিপ্লব মারা যান। একসঙ্গে দুই মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমেছে।
এ বিষয়ে শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জাগো নিউজকে জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত দুজনের মৃত্যুর খবর তিনি জানতে পেরেছেন। তবে বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেননি তিনি।
এমকেআর/জেআইএম