বাঁধ চুইয়ে লোকালয়ে ঢুকছে পানি, আতঙ্কে যমুনা পাড়ের মানুষ
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বগুড়ার ধুনটে যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার ৩৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে পানি বৃদ্ধির সঙ্গে প্রবল চাপে চুনিয়াপাড়া-দড়িপাড়া এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ চুইয়ে লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়ছে। পানির চাপ আরও বাড়লে বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছেন, ভাঙন আতঙ্কের কিছু নেই। ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে বালু ভর্তি বস্তা ফেলে বাঁধ রক্ষার চেষ্টা চলছে।
স্থানীয়রা জানান, এ উপজেলায় সাত কিলোমিটার দীর্ঘ যমুনা নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ। যমুনার পানি বাড়ার সঙ্গে স্রোতও বাড়ছে। পানির প্রবল চাপে বাঁধের চুনিয়াপাড়া-দড়িপাড়া পয়েন্ট দিয়ে লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে পানি। বাঁধটি ভেঙে গেলে যমুনার প্লাবনে সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলাসহ, বগুড়া জেলার ধুনট, সারিয়াকান্দি, গাবতলী, সোনাতলা, শেরপুর উপজেলাসহ বগুড়া জেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চলের লাখ-লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
উপজেলার ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আতিকুল করিম আপেল বলেন, বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে জরুরি ভাবে মেরামত করা হচ্ছে। পানির লেভেল আরও বেড়ে গেলে বাঁধ রক্ষা করা কষ্টকর হয়ে পড়বে।
বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপ-সহকারী প্রকৌশলী আসাদুল হক জানান, যমুনা নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে গর্ত ও প্রবল স্রোতের কারণে পানি ঢুকে পড়ছে লোকালয়ে। পানি আটকানোর জন্য বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত অংশে বালুর বস্তা ফেলা শুরু হয়েছে। ঝুঁকি মোকাবেলা করতে সবধরনের প্রস্তুতি রয়েছে।
আরএইচ/এমএস